সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো ও কৌশলগত তেলের পাইপলাইনে ইয়েমেনের হুথি বাহিনীর হামলার পরও মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির শরীক তুরস্ক ও পাকিস্তান কোনো সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ায় জোটটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে এক সদস্য দেশের ওপর হামলাকে সব দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনার কথা থাকলেও, জোটের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক সামরিক সহায়তা না আসায় এই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
এক জ্যেষ্ঠ তুর্কি কর্মকর্তার মতে, মক্কা চুক্তির প্রতিরক্ষা ধারা এখনো আইনগতভাবে কার্যকর হয়নি এবং জোটটি এখনো প্রাথমিক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরির পর্যায়ে রয়েছে। চুক্তিটি পুরোপুরি কার্যকর হতে তুরস্ক ও পাকিস্তানের পার্লামেন্টের অনুমোদন প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে; পাশাপাশি তিন দেশের হুমকি মূল্যায়ন, সামরিক সমন্বয় ও যৌথ প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা গড়ে তুলতে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।
ন্যাটোর অনুচ্ছেদের মতো সুরক্ষা ধারা থাকলেও তুর্কি কর্মকর্তা স্পষ্ট করেছেন যে, আক্রমণ হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সামরিক জবাব শুরু হবে না; বরং আক্রান্ত দেশের অনুরোধে যৌথ আলোচনার পরই প্রতিক্রিয়া নির্ধারণ করা হবে। অন্যদিকে, রাজনৈতিকভাবে সৌদির পাশে থাকলেও পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের আলাদা প্রতিরক্ষা চুক্তি থাকা সত্ত্বেও রিয়াদ এখনো তাদের কাছে সামরিক হস্তক্ষেপের কোনো অনুরোধ জানায়নি।

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো ও কৌশলগত তেলের পাইপলাইনে ইয়েমেনের হুথি বাহিনীর হামলার পরও মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির শরীক তুরস্ক ও পাকিস্তান কোনো সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ায় জোটটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে এক সদস্য দেশের ওপর হামলাকে সব দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনার কথা থাকলেও, জোটের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক সামরিক সহায়তা না আসায় এই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
এক জ্যেষ্ঠ তুর্কি কর্মকর্তার মতে, মক্কা চুক্তির প্রতিরক্ষা ধারা এখনো আইনগতভাবে কার্যকর হয়নি এবং জোটটি এখনো প্রাথমিক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরির পর্যায়ে রয়েছে। চুক্তিটি পুরোপুরি কার্যকর হতে তুরস্ক ও পাকিস্তানের পার্লামেন্টের অনুমোদন প্রক্রিয়া বাকি রয়েছে; পাশাপাশি তিন দেশের হুমকি মূল্যায়ন, সামরিক সমন্বয় ও যৌথ প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা গড়ে তুলতে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।
ন্যাটোর অনুচ্ছেদের মতো সুরক্ষা ধারা থাকলেও তুর্কি কর্মকর্তা স্পষ্ট করেছেন যে, আক্রমণ হলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সামরিক জবাব শুরু হবে না; বরং আক্রান্ত দেশের অনুরোধে যৌথ আলোচনার পরই প্রতিক্রিয়া নির্ধারণ করা হবে। অন্যদিকে, রাজনৈতিকভাবে সৌদির পাশে থাকলেও পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের আলাদা প্রতিরক্ষা চুক্তি থাকা সত্ত্বেও রিয়াদ এখনো তাদের কাছে সামরিক হস্তক্ষেপের কোনো অনুরোধ জানায়নি।

আপনার মতামত লিখুন