সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার্থীদের জন্য তৈরি একটি ভিডিওতে ‘আসসালামু আলাইকুম’ ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের জেরে পশ্চিমবঙ্গের নারী আইপিএস কর্মকর্তা বুশরা বানুকে খড়গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদ থেকে রাজ্য সশস্ত্র পুলিশের চতুর্থ ব্যাটালিয়নের ডেপুটি কমান্ড্যান্ট পদে বদলি করা হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র আড়াই মাসের মাথায় ‘জনস্বার্থ’র অজুহাতে জারি করা এই বদলির নির্দেশ নিয়ে জোর বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে বুশরা বানু দর্শকদের অভিবাদন জানানোর পর নিজের আইপিএস হওয়ার পথচলা, ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের কোচিং একাডেমির সহায়তার কথা তুলে ধরেন। উক্ত বক্তব্য নিয়ে কয়েকটি হিন্দু সংগঠন আপত্তি জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পরপরই তাকে এই পদে সরিয়ে দেওয়া হয়। ২০২১ সালে ইউপিএসসি উত্তীর্ণ হওয়া বুশরা বানু উত্তরপ্রদেশের কনৌজের বাসিন্দা এবং আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন।
এই ঘটনার পর রাজ্য সরকারের পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেছেন বিরোধী ও রাজনৈতিক নেতারা। কংগ্রেস এমপি ইমরান প্রতাপগড়ি ও তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুনাল ঘোষের মতো ব্যক্তিত্বরা সরকারের এহেন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে নিরপেক্ষ আচরণের দাবি তুলেছেন। একই সাথে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনরা অভিযোগ করছেন যে, ধর্মীয় পরিচয় প্রকাশের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন কর্মকর্তার ওপর রাজ্য ও কেন্দ্রীয় প্রশাসন বৈষম্যমূলক মানদণ্ড প্রয়োগ করছে।

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার্থীদের জন্য তৈরি একটি ভিডিওতে ‘আসসালামু আলাইকুম’ ও ‘ইনশাআল্লাহ’ শব্দ ব্যবহারের জেরে পশ্চিমবঙ্গের নারী আইপিএস কর্মকর্তা বুশরা বানুকে খড়গপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদ থেকে রাজ্য সশস্ত্র পুলিশের চতুর্থ ব্যাটালিয়নের ডেপুটি কমান্ড্যান্ট পদে বদলি করা হয়েছে। দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র আড়াই মাসের মাথায় ‘জনস্বার্থ’র অজুহাতে জারি করা এই বদলির নির্দেশ নিয়ে জোর বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটিতে বুশরা বানু দর্শকদের অভিবাদন জানানোর পর নিজের আইপিএস হওয়ার পথচলা, ইউপিএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের কোচিং একাডেমির সহায়তার কথা তুলে ধরেন। উক্ত বক্তব্য নিয়ে কয়েকটি হিন্দু সংগঠন আপত্তি জানিয়ে পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার পরপরই তাকে এই পদে সরিয়ে দেওয়া হয়। ২০২১ সালে ইউপিএসসি উত্তীর্ণ হওয়া বুশরা বানু উত্তরপ্রদেশের কনৌজের বাসিন্দা এবং আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন।
এই ঘটনার পর রাজ্য সরকারের পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেছেন বিরোধী ও রাজনৈতিক নেতারা। কংগ্রেস এমপি ইমরান প্রতাপগড়ি ও তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক কুনাল ঘোষের মতো ব্যক্তিত্বরা সরকারের এহেন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে নিরপেক্ষ আচরণের দাবি তুলেছেন। একই সাথে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনরা অভিযোগ করছেন যে, ধর্মীয় পরিচয় প্রকাশের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন কর্মকর্তার ওপর রাজ্য ও কেন্দ্রীয় প্রশাসন বৈষম্যমূলক মানদণ্ড প্রয়োগ করছে।

আপনার মতামত লিখুন