পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচনের মুখে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে একে ‘গণতন্ত্রের কালো অধ্যায়’ বলে মন্তব্য করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশন দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বের জেরে অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত হিসেবে মমতা গোষ্ঠীর জন্য ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ ও ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীক এবং বিরোধী গোষ্ঠীর জন্য ‘ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস’ ও ‘খাম’ প্রতীক বরাদ্দ করেছে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের জন্য কার্যকর এই নির্দেশকে রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট ও অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে মমতা জানান, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা মাথানত করবেন না।
সংবাদ সম্মেলনে মমতা অভিযোগ করেন, প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের ঠিক আগে মধ্যরাতে ২৮ বছরের একটি পুরানো দলের নাম ও প্রতীক কেড়ে নেওয়া হয়েছে। প্রতি পাঁচ বছর পরপর দলের সাংগঠনিক নির্বাচনের যাবতীয় নথি জমা দেওয়া সত্ত্বেও কেন এমন পদক্ষেপ নেওয়া হলো, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। তবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, দুটি পক্ষই নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল দাবি করায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত উভয়কে সমান সুযোগ দিতেই এই অস্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচনের মুখে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে একে ‘গণতন্ত্রের কালো অধ্যায়’ বলে মন্তব্য করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশন দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বের জেরে অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত হিসেবে মমতা গোষ্ঠীর জন্য ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ ও ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীক এবং বিরোধী গোষ্ঠীর জন্য ‘ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস’ ও ‘খাম’ প্রতীক বরাদ্দ করেছে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের জন্য কার্যকর এই নির্দেশকে রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্ট ও অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে মমতা জানান, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা মাথানত করবেন না।
সংবাদ সম্মেলনে মমতা অভিযোগ করেন, প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের ঠিক আগে মধ্যরাতে ২৮ বছরের একটি পুরানো দলের নাম ও প্রতীক কেড়ে নেওয়া হয়েছে। প্রতি পাঁচ বছর পরপর দলের সাংগঠনিক নির্বাচনের যাবতীয় নথি জমা দেওয়া সত্ত্বেও কেন এমন পদক্ষেপ নেওয়া হলো, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। তবে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, দুটি পক্ষই নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল দাবি করায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত উভয়কে সমান সুযোগ দিতেই এই অস্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন