ঢাকা নিউজ

কামাল আতাতুর্কের পর তুরস্কের ক্ষমতার শীর্ষে এরদোগানের উত্থান



কামাল আতাতুর্কের পর তুরস্কের ক্ষমতার শীর্ষে এরদোগানের উত্থান
ছবি : সংগৃহীত

সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে টানা ২২ বছর ধরে তুরস্ক শাসন করে আধুনিক তুরস্কের জনক মুস্তফা কামাল আতাতুর্কের পর দেশটির সবচেয়ে ক্ষমতাধর শাসকে পরিণত হয়েছেন রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। ১৯৯৪ সালে ইস্তাম্বুলের মেয়র হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার পর ২০০১ সালে জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একেপি) গঠন করেন এবং ২০০৩ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তিনি। প্রথম দশকে বিপুল অর্থনৈতিক অগ্রগতি এনে প্রশংসিত হলেও ২০১৩ সালের গাজি পার্ক আন্দোলন এবং পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি ধীরে ধীরে সমস্ত ক্ষমতা নিজের কেন্দ্রে নিয়ে যান। ২০১৭ সালের গণভোটে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট পদকে সীমাহীন ক্ষমতার অধিকারী করে তিনি নিজেকে একচ্ছত্র নেতায় রূপান্তর করেন।

ইসলামপন্থী ভাবধারার এরদোগান হিজাবের ওপর থেকে কড়াকড়ি তুলে নেওয়া এবং ঐতিহাসিক আয়া সোফিয়াকে পুনরায় মসজিদে রূপান্তরের মাধ্যমে সাধারণ মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। একই সাথে নেটো সদস্য হওয়া সত্ত্বেও ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সাথে মধ্যস্থতা করে তুরস্ককে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে শক্তিশালী পরাশক্তিতে রূপ দেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারার মতো বড় শহরগুলোতে জনপ্রিয়তা কমায় বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে বিরোধী নেতাদের রাজনীতি থেকে সরিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ও ইস্তাম্বুলের জনপ্রিয় মেয়র একরেম ইমামোলুকে গ্রেপ্তার ও কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় রাজপথে নেমেছে লাখ লাখ মানুষ এবং পশ্চিমাদের পক্ষ থেকেও এ সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কামাল আতাতুর্কের পর তুরস্কের ক্ষমতার শীর্ষে এরদোগানের উত্থান

প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসে টানা ২২ বছর ধরে তুরস্ক শাসন করে আধুনিক তুরস্কের জনক মুস্তফা কামাল আতাতুর্কের পর দেশটির সবচেয়ে ক্ষমতাধর শাসকে পরিণত হয়েছেন রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান। ১৯৯৪ সালে ইস্তাম্বুলের মেয়র হিসেবে পরিচিতি পাওয়ার পর ২০০১ সালে জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি (একেপি) গঠন করেন এবং ২০০৩ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন তিনি। প্রথম দশকে বিপুল অর্থনৈতিক অগ্রগতি এনে প্রশংসিত হলেও ২০১৩ সালের গাজি পার্ক আন্দোলন এবং পরবর্তীতে ২০১৬ সালের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি ধীরে ধীরে সমস্ত ক্ষমতা নিজের কেন্দ্রে নিয়ে যান। ২০১৭ সালের গণভোটে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট পদকে সীমাহীন ক্ষমতার অধিকারী করে তিনি নিজেকে একচ্ছত্র নেতায় রূপান্তর করেন।

ইসলামপন্থী ভাবধারার এরদোগান হিজাবের ওপর থেকে কড়াকড়ি তুলে নেওয়া এবং ঐতিহাসিক আয়া সোফিয়াকে পুনরায় মসজিদে রূপান্তরের মাধ্যমে সাধারণ মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। একই সাথে নেটো সদস্য হওয়া সত্ত্বেও ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সাথে মধ্যস্থতা করে তুরস্ককে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে শক্তিশালী পরাশক্তিতে রূপ দেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারার মতো বড় শহরগুলোতে জনপ্রিয়তা কমায় বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে বিরোধী নেতাদের রাজনীতি থেকে সরিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ও ইস্তাম্বুলের জনপ্রিয় মেয়র একরেম ইমামোলুকে গ্রেপ্তার ও কারাদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় রাজপথে নেমেছে লাখ লাখ মানুষ এবং পশ্চিমাদের পক্ষ থেকেও এ সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ