ঢাকা নিউজ

জাতিসংঘের দৃষ্টিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধের অর্থ



জাতিসংঘের দৃষ্টিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধের অর্থ
ছবি : সংগৃহীত

ইরানে পরমাণু চুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক অভিযানকালে বেপরোয়া বেসামরিক হত্যা ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তুলেছে জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্তকারী দল। বিশেষ করে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মার্কিন মিসাইল হামলায় ১২০ শিশু ও ২৬ নারী শিক্ষক নিহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই অভিযোগ আনা হয়েছে। হামলায় নৌঘাঁটির পাশের স্পষ্টত দৃশ্যমান একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ধ্বংস করা এবং প্রথম আঘাতের পর দোতলায় আশ্রয় নেওয়া শিশুদের ওপর দ্বিতীয় মিসাইল ছোড়াকে পেন্টাগন ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে হামলা বলে স্বীকার করলেও, জাতিসংঘ বিষয়টিকে চরম অবহেলা ও বেপরোয়া আচরণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

জাতিসংঘের এই প্রতিবেদনের জবাবে হোয়াইট হাউসের প্রতিনিধি আনা কেলি মানবাধিকার কাউন্সিলের তীব্র সমালোচনা করে দাবি করেন যে, মূল যুদ্ধাপরাধী ইরান নিজেই এবং তাদের পারমাণবিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করা বিশ্ব নিরাপত্তার জন্যই জরুরি। অন্যদিকে ইরান প্রতিবেদনটিকে স্বাগত জানিয়ে আন্তর্জাতিক বিচারের দাবি জানিয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি আন্তর্জাতিক আদালতের বিচার মানতে বাধ্য না থাকায় তাত্ক্ষণিক কোনো আইনি শাস্তি না হলেও, জেনে-বুঝে বা চরম অবহেলা থেকে চালানো এই ধরনের নির্বিচার হামলা আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন এবং এর ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর বড় ধরনের নৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি হবে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জাতিসংঘের দৃষ্টিতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাপরাধের অর্থ

প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ইরানে পরমাণু চুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক অভিযানকালে বেপরোয়া বেসামরিক হত্যা ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের দায়ে মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ তুলেছে জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্তকারী দল। বিশেষ করে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মার্কিন মিসাইল হামলায় ১২০ শিশু ও ২৬ নারী শিক্ষক নিহত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই অভিযোগ আনা হয়েছে। হামলায় নৌঘাঁটির পাশের স্পষ্টত দৃশ্যমান একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ধ্বংস করা এবং প্রথম আঘাতের পর দোতলায় আশ্রয় নেওয়া শিশুদের ওপর দ্বিতীয় মিসাইল ছোড়াকে পেন্টাগন ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে হামলা বলে স্বীকার করলেও, জাতিসংঘ বিষয়টিকে চরম অবহেলা ও বেপরোয়া আচরণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

জাতিসংঘের এই প্রতিবেদনের জবাবে হোয়াইট হাউসের প্রতিনিধি আনা কেলি মানবাধিকার কাউন্সিলের তীব্র সমালোচনা করে দাবি করেন যে, মূল যুদ্ধাপরাধী ইরান নিজেই এবং তাদের পারমাণবিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করা বিশ্ব নিরাপত্তার জন্যই জরুরি। অন্যদিকে ইরান প্রতিবেদনটিকে স্বাগত জানিয়ে আন্তর্জাতিক বিচারের দাবি জানিয়েছে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি আন্তর্জাতিক আদালতের বিচার মানতে বাধ্য না থাকায় তাত্ক্ষণিক কোনো আইনি শাস্তি না হলেও, জেনে-বুঝে বা চরম অবহেলা থেকে চালানো এই ধরনের নির্বিচার হামলা আন্তর্জাতিক আইনের গুরুতর লঙ্ঘন এবং এর ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর বড় ধরনের নৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি হবে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ