নোয়াখালীর সেনবাগে আফরিয়া সুলতানা প্রীয়া (১৪) নামে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে উপজেলার ইয়ারপুর ইউনিয়নের শায়েস্তানগর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত প্রীয়া শায়েস্তানগর গ্রামের মো. আবুল কাশেম ড্রাইভারের মেয়ে। সে স্থানীয় শিবপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে প্রীয়ার মা বিলকিস আক্তার ছোট ছেলেকে নিয়ে স্থানীয় ছমির মুন্সির হাট বাজারে যান। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাড়িতে ফিরে বসতঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান তিনি। পরে মেয়েকে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে মই দিয়ে ঘরের ভেতরে উঁকি দেন।
এ সময় মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন তিনি। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে প্রীয়া আত্মহত্যা করেছে। তবে কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হযরত আলী মিলন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬
নোয়াখালীর সেনবাগে আফরিয়া সুলতানা প্রীয়া (১৪) নামে অষ্টম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে উপজেলার ইয়ারপুর ইউনিয়নের শায়েস্তানগর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিহত প্রীয়া শায়েস্তানগর গ্রামের মো. আবুল কাশেম ড্রাইভারের মেয়ে। সে স্থানীয় শিবপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে প্রীয়ার মা বিলকিস আক্তার ছোট ছেলেকে নিয়ে স্থানীয় ছমির মুন্সির হাট বাজারে যান। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাড়িতে ফিরে বসতঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান তিনি। পরে মেয়েকে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে মই দিয়ে ঘরের ভেতরে উঁকি দেন।
এ সময় মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন তিনি। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে মায়ের সঙ্গে অভিমান করে প্রীয়া আত্মহত্যা করেছে। তবে কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হযরত আলী মিলন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। শনিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন