মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। গত ১৭ দিনের টানা সংঘাতে আরব বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তেহরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রায় প্রতিদিনই দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এই সংঘাত শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ লক্ষ্য করে ইরান এখন পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি ড্রোন ও মিসাইল ছুড়েছে, যার অর্ধেকেরও বেশি আঘাত হেনেছে আমিরাতের ভূখণ্ডে।
বিশ্লেষকদের মতে, আমিরাতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা—আবুধাবির আল-দাফরা বিমান ঘাঁটি এবং দুবাইয়ের জেবেল আলী বন্দরকে লক্ষ্য করেই মূলত এই বিপুল পরিমাণ হামলা চালানো হচ্ছে। তবে কেবল সামরিক ঘাঁটিই নয়, ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের কবলে পড়েছে দেশটির বিভিন্ন বিমানবন্দর, গুরুত্বপূর্ণ তেলখনিসহ সরকারি-বেসরকারি বেশ কিছু স্থাপনাও। আড়াই সপ্তাহের এই ভয়াবহ সংঘাতের কবলে পড়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এখন পর্যন্ত আটজনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে দুইজন দেশটির সেনাবাহিনীর সদস্য হলেও বাকি ছয়জনই ছিলেন সাধারণ বেসামরিক নাগরিক। যুদ্ধের এই তীব্রতা এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। গত ১৭ দিনের টানা সংঘাতে আরব বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তেহরানের প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রায় প্রতিদিনই দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এই সংঘাত শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ লক্ষ্য করে ইরান এখন পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি ড্রোন ও মিসাইল ছুড়েছে, যার অর্ধেকেরও বেশি আঘাত হেনেছে আমিরাতের ভূখণ্ডে।
বিশ্লেষকদের মতে, আমিরাতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা—আবুধাবির আল-দাফরা বিমান ঘাঁটি এবং দুবাইয়ের জেবেল আলী বন্দরকে লক্ষ্য করেই মূলত এই বিপুল পরিমাণ হামলা চালানো হচ্ছে। তবে কেবল সামরিক ঘাঁটিই নয়, ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের কবলে পড়েছে দেশটির বিভিন্ন বিমানবন্দর, গুরুত্বপূর্ণ তেলখনিসহ সরকারি-বেসরকারি বেশ কিছু স্থাপনাও। আড়াই সপ্তাহের এই ভয়াবহ সংঘাতের কবলে পড়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এখন পর্যন্ত আটজনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে দুইজন দেশটির সেনাবাহিনীর সদস্য হলেও বাকি ছয়জনই ছিলেন সাধারণ বেসামরিক নাগরিক। যুদ্ধের এই তীব্রতা এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন