যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ও বিরাজমান উত্তেজনার মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য বিকল্প রুট ঘোষণা করেছে ইরান। সমুদ্রতলে পেতে রাখা সম্ভাব্য মাইন এড়িয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচলের সুবিধার্থে দেশটির রেভ্যুলুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌ শাখা এই নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ও সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ-তে প্রকাশিত আইআরজিসির বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, যেসব জাহাজ এই প্রণালি অতিক্রম করতে চায়, তাদের অবশ্যই আইআরজিসি নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নির্দিষ্ট রুট অনুসরণ করতে হবে। মূলত সমুদ্রে মাইন বিস্ফোরণের ঝুঁকি এড়াতেই এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নতুন ঘোষিত রুট অনুযায়ী, জাহাজগুলোকে ওমান সাগর থেকে লারাক দ্বীপের উত্তর দিক দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করতে হবে। অন্যদিকে, পারস্য উপসাগর থেকে বের হওয়ার সময় লারাক দ্বীপের দক্ষিণ দিক দিয়ে ওমান সাগরের দিকে যাত্রা করতে হবে।
বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নির্দিষ্ট রুটগুলোই বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য কার্যকর থাকবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিতেই ইরান এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ও বিরাজমান উত্তেজনার মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য বিকল্প রুট ঘোষণা করেছে ইরান। সমুদ্রতলে পেতে রাখা সম্ভাব্য মাইন এড়িয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচলের সুবিধার্থে দেশটির রেভ্যুলুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌ শাখা এই নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ও সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ-তে প্রকাশিত আইআরজিসির বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, যেসব জাহাজ এই প্রণালি অতিক্রম করতে চায়, তাদের অবশ্যই আইআরজিসি নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নির্দিষ্ট রুট অনুসরণ করতে হবে। মূলত সমুদ্রে মাইন বিস্ফোরণের ঝুঁকি এড়াতেই এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নতুন ঘোষিত রুট অনুযায়ী, জাহাজগুলোকে ওমান সাগর থেকে লারাক দ্বীপের উত্তর দিক দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করতে হবে। অন্যদিকে, পারস্য উপসাগর থেকে বের হওয়ার সময় লারাক দ্বীপের দক্ষিণ দিক দিয়ে ওমান সাগরের দিকে যাত্রা করতে হবে।
বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নির্দিষ্ট রুটগুলোই বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য কার্যকর থাকবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং নৌ-নিরাপত্তা নিশ্চিতেই ইরান এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন