যুক্তরাজ্য থেকে ইসরায়েলের উদ্দেশে পাঠানো সামরিক সরঞ্জামের দুটি বড় চালান জব্দ করেছে বেলজিয়াম কর্তৃপক্ষ। ইসরায়েলগামী কোনো সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী বিমানকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার বা যাত্রাবিরতি করতে বেলজিয়াম সরকারের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার পরিপ্রেক্ষিতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম মিডলইস্ট আই এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ২৩ মার্চ ব্রিটেন থেকে রওনা হওয়া চালান দুটি ২৪ মার্চ বেলজিয়ামের লিঁয়জ বিমানবন্দরে পৌঁছালে তা জব্দ করা হয়। বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীদের পরীক্ষায় সেখানে ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম এবং সামরিক বিমানের খুচরা যন্ত্রাংশ পাওয়া গেছে, যা যথাযথভাবে ঘোষণা করা হয়নি। এই সরঞ্জামগুলো মূলত সাধারণ ‘উড়োজাহাজের সরঞ্জাম’ হিসেবে রফতানি করা হচ্ছিল। এই জালিয়াতির ঘটনায় বেলজিয়াম কর্তৃপক্ষ একটি ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে।
তদন্তে জড়িত একটি প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করেছে দক্ষিণ বেলজিয়ামের ওয়্যালুন আঞ্চলিক সরকার। প্রতিষ্ঠানটি হলো ‘মুগ’, যা একটি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা এবং যাদের কারখানা যুক্তরাজ্যে অবস্থিত। জানা গেছে, মুগ মূলত ইসরায়েলি পাইলটদের প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত এম-৩৪৬ বিমানের জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করে থাকে। ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত মুগ কোম্পানি থেকে অন্তত ১৭টি চালান যুক্তরাজ্য থেকে বেলজিয়াম হয়ে ইসরায়েলে পাঠানো হয়েছে।
বেলজিয়াম সরকারের এক মুখপাত্র সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই পণ্যগুলোর ট্রানজিটের জন্য কোনো লাইসেন্স নেওয়া হয়নি এবং আবেদন করলেও তা প্রত্যাখ্যান করা হতো। অন্যদিকে, ব্রিটিশ সরকার দাবি করেছে যে যথাযথ লাইসেন্স ছাড়া এ ধরনের পণ্য রপ্তানি করা একটি ফৌজদারি অপরাধ। গাজায় আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের ঝুঁকির কারণে ব্রিটেন আগেই ইসরায়েলের কাছে অস্ত্র বিক্রির বেশ কিছু লাইসেন্স স্থগিত করেছিল। এই ঘটনার ফলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও আইনি জটিলতা আরও বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাজ্য থেকে ইসরায়েলের উদ্দেশে পাঠানো সামরিক সরঞ্জামের দুটি বড় চালান জব্দ করেছে বেলজিয়াম কর্তৃপক্ষ। ইসরায়েলগামী কোনো সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী বিমানকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার বা যাত্রাবিরতি করতে বেলজিয়াম সরকারের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার পরিপ্রেক্ষিতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম মিডলইস্ট আই এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ২৩ মার্চ ব্রিটেন থেকে রওনা হওয়া চালান দুটি ২৪ মার্চ বেলজিয়ামের লিঁয়জ বিমানবন্দরে পৌঁছালে তা জব্দ করা হয়। বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীদের পরীক্ষায় সেখানে ফায়ার কন্ট্রোল সিস্টেম এবং সামরিক বিমানের খুচরা যন্ত্রাংশ পাওয়া গেছে, যা যথাযথভাবে ঘোষণা করা হয়নি। এই সরঞ্জামগুলো মূলত সাধারণ ‘উড়োজাহাজের সরঞ্জাম’ হিসেবে রফতানি করা হচ্ছিল। এই জালিয়াতির ঘটনায় বেলজিয়াম কর্তৃপক্ষ একটি ফৌজদারি তদন্ত শুরু করেছে।
তদন্তে জড়িত একটি প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করেছে দক্ষিণ বেলজিয়ামের ওয়্যালুন আঞ্চলিক সরকার। প্রতিষ্ঠানটি হলো ‘মুগ’, যা একটি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা এবং যাদের কারখানা যুক্তরাজ্যে অবস্থিত। জানা গেছে, মুগ মূলত ইসরায়েলি পাইলটদের প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত এম-৩৪৬ বিমানের জন্য যন্ত্রাংশ তৈরি করে থাকে। ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত মুগ কোম্পানি থেকে অন্তত ১৭টি চালান যুক্তরাজ্য থেকে বেলজিয়াম হয়ে ইসরায়েলে পাঠানো হয়েছে।
বেলজিয়াম সরকারের এক মুখপাত্র সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এই পণ্যগুলোর ট্রানজিটের জন্য কোনো লাইসেন্স নেওয়া হয়নি এবং আবেদন করলেও তা প্রত্যাখ্যান করা হতো। অন্যদিকে, ব্রিটিশ সরকার দাবি করেছে যে যথাযথ লাইসেন্স ছাড়া এ ধরনের পণ্য রপ্তানি করা একটি ফৌজদারি অপরাধ। গাজায় আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের ঝুঁকির কারণে ব্রিটেন আগেই ইসরায়েলের কাছে অস্ত্র বিক্রির বেশ কিছু লাইসেন্স স্থগিত করেছিল। এই ঘটনার ফলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও আইনি জটিলতা আরও বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন