ইরানে সামরিক অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একক ক্ষমতা সীমিত করার একটি প্রস্তাব আবারও মার্কিন সিনেটে ব্যর্থ হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যাত হয়। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের এই উদ্যোগ সিনেটে মুখ থুবড়ে পড়ল।
সিনেটে হওয়া এই ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটির বিপক্ষে ৫২টি এবং পক্ষে ৪৭টি ভোট পড়ে। যদি এই প্রস্তাবটি পাস হতো, তবে কংগ্রেসের পূর্ব অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানে কোনো ধরণের সামরিক অভিযান চালাতে পারতেন না। ডেমোক্র্যাটরা এই হারের পরও জানিয়েছেন, জনমত গঠন এবং আইনপ্রণেতাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তারা নিয়মিতভাবে এই প্রস্তাবটি সিনেটে তুলে ধরবেন। ভার্জিনিয়ার সিনেটর টিম কেইন বলেন, এই ভোটের মাধ্যমে অন্তত স্পষ্ট হবে যে যুদ্ধের দায়ভার শেষ পর্যন্ত কার কাঁধে বর্তাবে।
অন্যদিকে, রিপাবলিকানদের অধিকাংশ সদস্য প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার পক্ষে অবস্থান নিলেও কেউ কেউ শর্তসাপেক্ষে অবস্থান পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। মিসৌরির রিপাবলিকান সিনেটর জশ হাউলি জানান, বর্তমানে প্রশাসন আইন মেনেই কাজ করছে বলে তিনি মনে করেন। তবে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে যদি সংঘাত কমিয়ে আনার কোনো প্রমাণ প্রশাসন দিতে না পারে, তবে তিনি পরবর্তী প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবেন।
আগামী এপ্রিল মাসের শেষ দিকে এই যুদ্ধ পরিস্থিতি ৬০ দিনে পৌঁছাবে, যা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। ১৯৭৩ সালের 'ওয়ার পাওয়ার অ্যাক্ট' অনুযায়ী, কোনো সামরিক অভিযান ৬০ দিনে পৌঁছালে কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। অনুমোদন না পেলে বা সময় বাড়ানো না হলে প্রেসিডেন্টকে আইনত সেনা প্রত্যাহার শুরু করতে হবে। ফলে এপ্রিলের শেষভাগে কংগ্রেস ও হোয়াইট হাউসের মধ্যে এক বড় ধরণের আইনি ও রাজনৈতিক লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬
ইরানে সামরিক অভিযান পরিচালনার ক্ষেত্রে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একক ক্ষমতা সীমিত করার একটি প্রস্তাব আবারও মার্কিন সিনেটে ব্যর্থ হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল ২০২৬) অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যাত হয়। এ নিয়ে চতুর্থবারের মতো ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের এই উদ্যোগ সিনেটে মুখ থুবড়ে পড়ল।
সিনেটে হওয়া এই ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটির বিপক্ষে ৫২টি এবং পক্ষে ৪৭টি ভোট পড়ে। যদি এই প্রস্তাবটি পাস হতো, তবে কংগ্রেসের পূর্ব অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানে কোনো ধরণের সামরিক অভিযান চালাতে পারতেন না। ডেমোক্র্যাটরা এই হারের পরও জানিয়েছেন, জনমত গঠন এবং আইনপ্রণেতাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তারা নিয়মিতভাবে এই প্রস্তাবটি সিনেটে তুলে ধরবেন। ভার্জিনিয়ার সিনেটর টিম কেইন বলেন, এই ভোটের মাধ্যমে অন্তত স্পষ্ট হবে যে যুদ্ধের দায়ভার শেষ পর্যন্ত কার কাঁধে বর্তাবে।
অন্যদিকে, রিপাবলিকানদের অধিকাংশ সদস্য প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার পক্ষে অবস্থান নিলেও কেউ কেউ শর্তসাপেক্ষে অবস্থান পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। মিসৌরির রিপাবলিকান সিনেটর জশ হাউলি জানান, বর্তমানে প্রশাসন আইন মেনেই কাজ করছে বলে তিনি মনে করেন। তবে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে যদি সংঘাত কমিয়ে আনার কোনো প্রমাণ প্রশাসন দিতে না পারে, তবে তিনি পরবর্তী প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবেন।
আগামী এপ্রিল মাসের শেষ দিকে এই যুদ্ধ পরিস্থিতি ৬০ দিনে পৌঁছাবে, যা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। ১৯৭৩ সালের 'ওয়ার পাওয়ার অ্যাক্ট' অনুযায়ী, কোনো সামরিক অভিযান ৬০ দিনে পৌঁছালে কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক। অনুমোদন না পেলে বা সময় বাড়ানো না হলে প্রেসিডেন্টকে আইনত সেনা প্রত্যাহার শুরু করতে হবে। ফলে এপ্রিলের শেষভাগে কংগ্রেস ও হোয়াইট হাউসের মধ্যে এক বড় ধরণের আইনি ও রাজনৈতিক লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন