চুয়াডাঙ্গায় এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অপরাধে মোহাম্মদ সালাম নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা শিশু ধর্ষণ অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা দায়রা জজ মো. মোস্তাগীর আলম এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত যুবক দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের বজলুর রশিদ মজুর ছেলে। রায় ঘোষণার পর তাকে কড়া পুলিশ পাহারায় চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৩ মার্চ দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা এলাকার দশম শ্রেণির এক ছাত্রী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় তাকে অপহরণ করে মোহাম্মদ সালাম। পরবর্তীতে ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে এবং ভুয়া বিয়ের কাবিননামা তৈরি করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়। এই ঘটনার পর ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দীর্ঘ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মেডিকেল রিপোর্টে ধস্তাধস্তির চিহ্ন না থাকলেও ভিকটিমের বয়স ১৬ বছরের কম হওয়ায় এবং সম্মতিবিহীন যৌন সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়ায় আদালত আসামিকে এই কঠোর সাজা প্রদান করেন। বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত আজ এই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
চুয়াডাঙ্গায় এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অপরাধে মোহাম্মদ সালাম নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা শিশু ধর্ষণ অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা দায়রা জজ মো. মোস্তাগীর আলম এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত যুবক দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের বজলুর রশিদ মজুর ছেলে। রায় ঘোষণার পর তাকে কড়া পুলিশ পাহারায় চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৩ মার্চ দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা এলাকার দশম শ্রেণির এক ছাত্রী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় তাকে অপহরণ করে মোহাম্মদ সালাম। পরবর্তীতে ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে এবং ভুয়া বিয়ের কাবিননামা তৈরি করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়। এই ঘটনার পর ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দীর্ঘ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। মেডিকেল রিপোর্টে ধস্তাধস্তির চিহ্ন না থাকলেও ভিকটিমের বয়স ১৬ বছরের কম হওয়ায় এবং সম্মতিবিহীন যৌন সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়ায় আদালত আসামিকে এই কঠোর সাজা প্রদান করেন। বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত আজ এই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন।

আপনার মতামত লিখুন