নোয়াখালীর হাতিয়ায় যৌথবাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে ১৬০০ লিটার অবৈধ ডিজেল জব্দ করা হয়েছে। অবৈধভাবে তেল মজুত রাখার দায়ে এই সময় ফারুক নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। বুধবার সকালে জব্দকৃত তেল হাতিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে প্রশাসন।
আটককৃত মো. মফিজ উদ্দিন ফারুক উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের ক্ষিরোদিয়া গ্রামের ইয়াহিয়া মাস্টারের ছেলে। পুলিশ ও নৌবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনী মঙ্গলবার গভীর রাতে তমরদ্দি বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করে। বাজারের উত্তর পাশে অবস্থিত একটি মোটর পার্টসের দোকান থেকে ৮ ড্রামে রাখা মোট ১৬০০ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়। অভিযানের একপর্যায়ে ফারুক ঘটনাস্থলে এসে এসব তেলের মালিকানা দাবি করেন এবং জানান যে এগুলো জাহাজে ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছে।
তবে তেলের স্বপক্ষে বৈধ প্রমাণাদি না থাকায় যৌথবাহিনী তেলগুলো জব্দ করে এবং ফারুককে আটক করে। এই ঘটনায় ফারুকের ভাই মেজবাহ উদ্দিন শামীম ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেছেন যে, তাদের বাল্কহেডের জন্য বৈধভাবেই তেলগুলো কেনা হয়েছিল। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও এই জব্দ প্রক্রিয়াকে তিনি তাদের ওপর এক ধরনের 'জুলুম' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুনিশ্চিত হয়েই এই অভিযান চালানো হয়েছে। অবৈধ মজুতের অপরাধে আটক ফারুকের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে। বর্তমানে জব্দকৃত আলামত ও আসামিকে থানায় সোপর্দ করে আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
নোয়াখালীর হাতিয়ায় যৌথবাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে ১৬০০ লিটার অবৈধ ডিজেল জব্দ করা হয়েছে। অবৈধভাবে তেল মজুত রাখার দায়ে এই সময় ফারুক নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। বুধবার সকালে জব্দকৃত তেল হাতিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে প্রশাসন।
আটককৃত মো. মফিজ উদ্দিন ফারুক উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের ক্ষিরোদিয়া গ্রামের ইয়াহিয়া মাস্টারের ছেলে। পুলিশ ও নৌবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনী মঙ্গলবার গভীর রাতে তমরদ্দি বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করে। বাজারের উত্তর পাশে অবস্থিত একটি মোটর পার্টসের দোকান থেকে ৮ ড্রামে রাখা মোট ১৬০০ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়। অভিযানের একপর্যায়ে ফারুক ঘটনাস্থলে এসে এসব তেলের মালিকানা দাবি করেন এবং জানান যে এগুলো জাহাজে ব্যবহারের জন্য আনা হয়েছে।
তবে তেলের স্বপক্ষে বৈধ প্রমাণাদি না থাকায় যৌথবাহিনী তেলগুলো জব্দ করে এবং ফারুককে আটক করে। এই ঘটনায় ফারুকের ভাই মেজবাহ উদ্দিন শামীম ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেছেন যে, তাদের বাল্কহেডের জন্য বৈধভাবেই তেলগুলো কেনা হয়েছিল। প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও এই জব্দ প্রক্রিয়াকে তিনি তাদের ওপর এক ধরনের 'জুলুম' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুনিশ্চিত হয়েই এই অভিযান চালানো হয়েছে। অবৈধ মজুতের অপরাধে আটক ফারুকের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে। বর্তমানে জব্দকৃত আলামত ও আসামিকে থানায় সোপর্দ করে আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন