ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হল ও ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ছয়জন সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। বৃহস্পতিবার সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দপ্তর সম্পাদক সরদার নাদিম মাহমুদ শুভ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বুধবার রাতে বিজয় একাত্তর হলে দেয়াল লেখাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একই দিনে শহীদুল্লাহ্ হলের ঘটনাপ্রবাহসহ পৃথক দুটি স্থানে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের হাতে সাংবাদিকরা হেনস্তার শিকার হন। জাতীয় ছাত্রশক্তি এই ঘটনাকে স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর সরাসরি আঘাত এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী বলে অভিহিত করেছে।
সংগঠনটি মনে করে, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে সত্য প্রকাশ বাধাগ্রস্ত হয়, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য একটি উদ্বেগজনক দৃষ্টান্ত। তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়া বা আক্রমণ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। একইসঙ্গে তারা ক্যাম্পাসের ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনগুলোকে সংঘাতের পথ পরিহার করে সংলাপের রাজনীতি বেছে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হল ও ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হলে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ছয়জন সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। বৃহস্পতিবার সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দপ্তর সম্পাদক সরদার নাদিম মাহমুদ শুভ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বুধবার রাতে বিজয় একাত্তর হলে দেয়াল লেখাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একই দিনে শহীদুল্লাহ্ হলের ঘটনাপ্রবাহসহ পৃথক দুটি স্থানে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের হাতে সাংবাদিকরা হেনস্তার শিকার হন। জাতীয় ছাত্রশক্তি এই ঘটনাকে স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর সরাসরি আঘাত এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী বলে অভিহিত করেছে।
সংগঠনটি মনে করে, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে সত্য প্রকাশ বাধাগ্রস্ত হয়, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য একটি উদ্বেগজনক দৃষ্টান্ত। তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের বাধা দেওয়া বা আক্রমণ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। একইসঙ্গে তারা ক্যাম্পাসের ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠনগুলোকে সংঘাতের পথ পরিহার করে সংলাপের রাজনীতি বেছে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন