ঢাকা নিউজ

এসআইকে ‘ম্যাডাম’ ডাকায় যুবককে থানায় আটকে রাখার অভিযোগ



এসআইকে ‘ম্যাডাম’ ডাকায় যুবককে থানায় আটকে রাখার অভিযোগ
ছবি : সংগৃহীত

বগুড়ার শেরপুর থানায় কর্তব্যরত এক নারী উপ-পরিদর্শককে (এসআই) ‘ম্যাডাম’ সম্বোধন করায় ক্ষিপ্ত হয়ে নূর মোহাম্মদ মামুন নামে এক যুবককে প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সকালে ডিউটি অফিসারের কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। পরে থানার ওসির হস্তক্ষেপে মুচলেকা নিয়ে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হলেও এই ঘটনাটি স্থানীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।

ভুক্তভোগী নূর মোহাম্মদ মামুন একজন পিকআপ চালক। তিনি থানায় গ্রেপ্তার হওয়া এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে গেলে ডিউটি অফিসারের দায়িত্বে থাকা এসআই রোখসানা খাতুনকে সালাম দিয়ে ‘ম্যাডাম’ বলে সম্বোধন করেন। এতে ওই নারী কর্মকর্তা অত্যন্ত ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে থানায় আটকে রাখেন। বিষয়টি জানাজানি হলে মামুনের স্বজনরা থানায় ভিড় করেন এবং পরবর্তীতে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে তিনি মুক্তি পান।

অভিযুক্ত এসআই রোখসানা খাতুনের বিরুদ্ধে এর আগেও সাধারণ মানুষের সঙ্গে অপেশাদার ও রূঢ় আচরণের একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে। অনেক ভুক্তভোগী দাবি করেছেন, এর আগেও তিনি বিভিন্ন সময়ে সেবা নিতে আসা ব্যক্তিদের ধমক দেওয়া বা অসৌজন্যমূলক আচরণ করে থানা থেকে বের করে দিয়েছেন। এমনকি সহকর্মী পুলিশ কর্মকর্তারাও তাঁর মেজাজ ও আচরণের কারণে অস্বস্তিতে থাকেন বলে অভিযোগে প্রকাশ পেয়েছে।

শেরপুর থানার ওসি এসএম মঈনুদ্দীন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন যে, বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। এসআই রোখসানার বিরুদ্ধে এর আগেও মৌখিক অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং সর্বশেষ এই ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী অবিলম্বে ওই নারী এসআইয়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এবং তাঁকে অন্যত্র বদলির দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬


এসআইকে ‘ম্যাডাম’ ডাকায় যুবককে থানায় আটকে রাখার অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

বগুড়ার শেরপুর থানায় কর্তব্যরত এক নারী উপ-পরিদর্শককে (এসআই) ‘ম্যাডাম’ সম্বোধন করায় ক্ষিপ্ত হয়ে নূর মোহাম্মদ মামুন নামে এক যুবককে প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সকালে ডিউটি অফিসারের কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। পরে থানার ওসির হস্তক্ষেপে মুচলেকা নিয়ে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হলেও এই ঘটনাটি স্থানীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।

ভুক্তভোগী নূর মোহাম্মদ মামুন একজন পিকআপ চালক। তিনি থানায় গ্রেপ্তার হওয়া এক বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে গেলে ডিউটি অফিসারের দায়িত্বে থাকা এসআই রোখসানা খাতুনকে সালাম দিয়ে ‘ম্যাডাম’ বলে সম্বোধন করেন। এতে ওই নারী কর্মকর্তা অত্যন্ত ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে থানায় আটকে রাখেন। বিষয়টি জানাজানি হলে মামুনের স্বজনরা থানায় ভিড় করেন এবং পরবর্তীতে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে তিনি মুক্তি পান।

অভিযুক্ত এসআই রোখসানা খাতুনের বিরুদ্ধে এর আগেও সাধারণ মানুষের সঙ্গে অপেশাদার ও রূঢ় আচরণের একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে। অনেক ভুক্তভোগী দাবি করেছেন, এর আগেও তিনি বিভিন্ন সময়ে সেবা নিতে আসা ব্যক্তিদের ধমক দেওয়া বা অসৌজন্যমূলক আচরণ করে থানা থেকে বের করে দিয়েছেন। এমনকি সহকর্মী পুলিশ কর্মকর্তারাও তাঁর মেজাজ ও আচরণের কারণে অস্বস্তিতে থাকেন বলে অভিযোগে প্রকাশ পেয়েছে।

শেরপুর থানার ওসি এসএম মঈনুদ্দীন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন যে, বিষয়টি ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। এসআই রোখসানার বিরুদ্ধে এর আগেও মৌখিক অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং সর্বশেষ এই ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী অবিলম্বে ওই নারী এসআইয়ের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এবং তাঁকে অন্যত্র বদলির দাবি জানিয়েছেন।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ