মানিকগঞ্জের সিংগাইরে জর্ডান ফেরত রেমিট্যান্স যোদ্ধা রেহেনা আক্তার (৩৫) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়নের পশ্চিম ভাকুম গ্রামের বাড়ির পাশের একটি জঙ্গল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহিত রেহেনা ওই এলাকার মৃত হানিফের মেয়ে এবং এক সন্তানের জননী ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রেহেনা আক্তার গত পাঁচ বছর জর্ডানে গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত বছর দেশে ফেরার পর স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তিনি নানার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। বুধবার দিবাগত গভীর রাতে তিনি ঘর থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। সকালে প্রতিবেশীরা বাড়ির পাশের জঙ্গলে তাঁর নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। লক্ষ্য করা গেছে যে, নিহতের গলায় থাকা স্বর্ণের চেইনটি নিখোঁজ রয়েছে, যা থেকে চুরির উদ্দেশ্যে হত্যাকাণ্ডের প্রাথমিক সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
সিংগাইর থানা পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। রেহেনার এই রহস্যজনক মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে জর্ডান ফেরত রেমিট্যান্স যোদ্ধা রেহেনা আক্তার (৩৫) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়নের পশ্চিম ভাকুম গ্রামের বাড়ির পাশের একটি জঙ্গল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহিত রেহেনা ওই এলাকার মৃত হানিফের মেয়ে এবং এক সন্তানের জননী ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রেহেনা আক্তার গত পাঁচ বছর জর্ডানে গৃহকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত বছর দেশে ফেরার পর স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তিনি নানার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। বুধবার দিবাগত গভীর রাতে তিনি ঘর থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি। সকালে প্রতিবেশীরা বাড়ির পাশের জঙ্গলে তাঁর নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। লক্ষ্য করা গেছে যে, নিহতের গলায় থাকা স্বর্ণের চেইনটি নিখোঁজ রয়েছে, যা থেকে চুরির উদ্দেশ্যে হত্যাকাণ্ডের প্রাথমিক সন্দেহ তৈরি হয়েছে।
সিংগাইর থানা পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। রেহেনার এই রহস্যজনক মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বর্তমানে এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন