কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কুমিল্লা নিউজের স্টাফ রিপোর্টার কাজী নাফিজের ওপর ছাত্রদলের একদল নেতাকর্মী অতর্কিত হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় নাফিজকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নাফিজ ক্লাস শেষ করে বের হওয়ার পর ছাত্রদলের ইমন আকবর গ্রুপের বেশ কয়েকজন কর্মী তাঁর ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে হাসান, হুছাইন, তন্ময়, মাহিনুর, রেদোয়ানসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা। অভিযোগ রয়েছে যে, গত কয়েকদিন ধরেই ছাত্রদলের পক্ষ থেকে প্রেসক্লাবের সদস্যদের নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল এবং ক্যাম্পাসে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শোডাউন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
আহত সাংবাদিক কাজী নাফিজ জানান, অতীতের ছাত্রলীগের মতো বর্তমান ছাত্রদলও ক্যাম্পাসে সহিংস আচরণ করছে। কোনো কারণ ছাড়াই তাঁর ওপর হামলা করা হয়েছে এবং এমনকি ছুরিকাঘাত করার চেষ্টাও করা হয়েছে। তিনি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। প্রেসক্লাবের অন্য সদস্যরাও জানিয়েছেন, তাঁদের বিনাকারণে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।
এদিকে, হামলার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন পলিটেকনিকের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি দাবি করেছেন, ঘটনা ঘটার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না এবং তদন্ত কমিটির আগে কাউকে ফুটেজ দেওয়া সম্ভব নয়। তবে ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে যারা আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কুমিল্লা নিউজের স্টাফ রিপোর্টার কাজী নাফিজের ওপর ছাত্রদলের একদল নেতাকর্মী অতর্কিত হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় নাফিজকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নাফিজ ক্লাস শেষ করে বের হওয়ার পর ছাত্রদলের ইমন আকবর গ্রুপের বেশ কয়েকজন কর্মী তাঁর ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে হাসান, হুছাইন, তন্ময়, মাহিনুর, রেদোয়ানসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা। অভিযোগ রয়েছে যে, গত কয়েকদিন ধরেই ছাত্রদলের পক্ষ থেকে প্রেসক্লাবের সদস্যদের নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল এবং ক্যাম্পাসে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শোডাউন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
আহত সাংবাদিক কাজী নাফিজ জানান, অতীতের ছাত্রলীগের মতো বর্তমান ছাত্রদলও ক্যাম্পাসে সহিংস আচরণ করছে। কোনো কারণ ছাড়াই তাঁর ওপর হামলা করা হয়েছে এবং এমনকি ছুরিকাঘাত করার চেষ্টাও করা হয়েছে। তিনি ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন। প্রেসক্লাবের অন্য সদস্যরাও জানিয়েছেন, তাঁদের বিনাকারণে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।
এদিকে, হামলার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন পলিটেকনিকের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি দাবি করেছেন, ঘটনা ঘটার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না এবং তদন্ত কমিটির আগে কাউকে ফুটেজ দেওয়া সম্ভব নয়। তবে ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে যারা আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে।

আপনার মতামত লিখুন