রাজধানীর শাহবাগ থানায় সাধারণ শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং ডাকসুর শীর্ষ নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এক যৌথ বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানান। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভুয়া স্ক্রিনশট ও ফটোকার্ড ছড়িয়ে এক শিবিরের কর্মীর ওপর পরিকল্পিত হামলার পর তাঁকে উদ্ধার করতে আসা ডাকসু নেতাদের ওপরও অতর্কিত আক্রমণ করা হয়েছে।
ছাত্রশিবিরের দাবি অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের কর্মী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের নামে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হলে তিনি শাহবাগ থানায় জিডি করতে যান। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতির নেতৃত্বে একটি ‘মব’ তৈরি করে তাঁর ওপর হামলা করা হয়। পরবর্তীতে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জোবায়ের ও সাহিত্য সম্পাদক মুসাদ্দিক ইবনে মোহাম্মদ তাঁকে উদ্ধার করতে গেলে তাঁদেরও মারধর করে থানায় অবরুদ্ধ রাখা হয়। এমনকি ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম ও জিএস এস এম ফরহাদ সেখানে গেলে তাঁদের ওপরও চড়াও হয় হামলাকারীরা।
ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে আসা সাংবাদিকদের ওপরও হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে অন্তত ১২ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন এবং তাঁদের ক্যামেরা ও পেশাগত সরঞ্জাম ভাঙচুর করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে থানার ভেতর এ ধরনের হামলাকে ছাত্রশিবির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং জনগণের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছে। তাঁরা অভিযোগ করেন, ছাত্রদল দেশজুড়ে শিক্ষাঙ্গন দখলে নিতে ফ্যাসিবাদী কায়দায় পেশিশক্তি ব্যবহার করছে।
বিবৃতিতে ছাত্রশিবির অবিলম্বে শাহবাগ থানার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের নেতারা মনে করেন, রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যর্থতা আড়াল করতেই পরিকল্পিতভাবে ক্যাম্পাসগুলোতে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর শাহবাগ থানায় সাধারণ শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং ডাকসুর শীর্ষ নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এক যৌথ বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানান। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভুয়া স্ক্রিনশট ও ফটোকার্ড ছড়িয়ে এক শিবিরের কর্মীর ওপর পরিকল্পিত হামলার পর তাঁকে উদ্ধার করতে আসা ডাকসু নেতাদের ওপরও অতর্কিত আক্রমণ করা হয়েছে।
ছাত্রশিবিরের দাবি অনুযায়ী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের কর্মী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের নামে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হলে তিনি শাহবাগ থানায় জিডি করতে যান। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতির নেতৃত্বে একটি ‘মব’ তৈরি করে তাঁর ওপর হামলা করা হয়। পরবর্তীতে ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জোবায়ের ও সাহিত্য সম্পাদক মুসাদ্দিক ইবনে মোহাম্মদ তাঁকে উদ্ধার করতে গেলে তাঁদেরও মারধর করে থানায় অবরুদ্ধ রাখা হয়। এমনকি ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম ও জিএস এস এম ফরহাদ সেখানে গেলে তাঁদের ওপরও চড়াও হয় হামলাকারীরা।
ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে আসা সাংবাদিকদের ওপরও হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে অন্তত ১২ জন সাংবাদিক আহত হয়েছেন এবং তাঁদের ক্যামেরা ও পেশাগত সরঞ্জাম ভাঙচুর করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে থানার ভেতর এ ধরনের হামলাকে ছাত্রশিবির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং জনগণের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে অভিহিত করেছে। তাঁরা অভিযোগ করেন, ছাত্রদল দেশজুড়ে শিক্ষাঙ্গন দখলে নিতে ফ্যাসিবাদী কায়দায় পেশিশক্তি ব্যবহার করছে।
বিবৃতিতে ছাত্রশিবির অবিলম্বে শাহবাগ থানার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। অন্যথায় ছাত্র-জনতাকে সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সংগঠনের নেতারা মনে করেন, রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যর্থতা আড়াল করতেই পরিকল্পিতভাবে ক্যাম্পাসগুলোতে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন