মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বেড়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে লেনদেন শুরুর পর থেকেই তেলের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি জাহাজ জব্দের ঘটনায় সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় এই দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.২৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫.৩৮ ডলারে পৌঁছেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১.১৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৬.৯৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। যদিও ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও তিন সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে, তবুও তেলের বাজারের এই অস্থিরতা কমেনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউসে দীর্ঘ আলোচনার পর এই যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা লোহিত সাগর ও সংলগ্ন এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় বিনিয়োগকারীরা এখনো শঙ্কিত। কূটনৈতিক আলোচনার জন্য সময় বাড়লেও জ্বালানি সরবরাহের প্রধান রুটগুলোতে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে না আসা পর্যন্ত দাম কমার সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সিএনবিসি সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বের প্রধান আমদানিকারক দেশগুলো এই ঊর্ধ্বগতির ফলে নতুন করে অর্থনৈতিক চাপে পড়তে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় অনেক দেশ ইতোমধ্যে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা শুরু করেছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বেড়েছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে লেনদেন শুরুর পর থেকেই তেলের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি জাহাজ জব্দের ঘটনায় সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় এই দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.২৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৫.৩৮ ডলারে পৌঁছেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১.১৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৬.৯৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। যদিও ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও তিন সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে, তবুও তেলের বাজারের এই অস্থিরতা কমেনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হোয়াইট হাউসে দীর্ঘ আলোচনার পর এই যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা লোহিত সাগর ও সংলগ্ন এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় বিনিয়োগকারীরা এখনো শঙ্কিত। কূটনৈতিক আলোচনার জন্য সময় বাড়লেও জ্বালানি সরবরাহের প্রধান রুটগুলোতে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে না আসা পর্যন্ত দাম কমার সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সিএনবিসি সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বের প্রধান আমদানিকারক দেশগুলো এই ঊর্ধ্বগতির ফলে নতুন করে অর্থনৈতিক চাপে পড়তে পারে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় অনেক দেশ ইতোমধ্যে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন