নাটোরের গুরুদাসপুরে মাত্র ৪ ইঞ্চি জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত বাবলু (৩০) নামে এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত বাবলু উপজেলার যোগেন্দ্রনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং তাঁর পরিবারে স্ত্রী, দুই সন্তান ও বৃদ্ধ বাবা-মা রয়েছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে এখন চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে পরিবারটি।
মামলার এজাহার ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জায়গা নিয়ে একই গ্রামের পারুলের সঙ্গে বাবলুর দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এর জের ধরে গত ১৭ এপ্রিল প্রতিপক্ষের কাওছার, কামাল, জহুরুল ও রাসেলসহ বেশ কয়েকজন পরিকল্পিতভাবে বাবলুর ওপর হামলা চালায়। সে সময় তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে যাওয়া হয়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছিল।
এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গুরুদাসপুর থানার ওসি মনজুরুল আলম জানিয়েছেন, সাতদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বাবলুর মৃত্যু হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
নাটোরের গুরুদাসপুরে মাত্র ৪ ইঞ্চি জায়গা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত বাবলু (৩০) নামে এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত বাবলু উপজেলার যোগেন্দ্রনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং তাঁর পরিবারে স্ত্রী, দুই সন্তান ও বৃদ্ধ বাবা-মা রয়েছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে এখন চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে পরিবারটি।
মামলার এজাহার ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জায়গা নিয়ে একই গ্রামের পারুলের সঙ্গে বাবলুর দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। এর জের ধরে গত ১৭ এপ্রিল প্রতিপক্ষের কাওছার, কামাল, জহুরুল ও রাসেলসহ বেশ কয়েকজন পরিকল্পিতভাবে বাবলুর ওপর হামলা চালায়। সে সময় তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে যাওয়া হয়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছিল।
এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গুরুদাসপুর থানার ওসি মনজুরুল আলম জানিয়েছেন, সাতদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বাবলুর মৃত্যু হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন