আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় রাখতে পাকিস্তান তার ‘আন্তরিক ও সৎ প্রচেষ্টা’ অব্যাহত রাখবে বলে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে আশ্বস্ত করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। শনিবার এক ফোনালাপে দুই দেশের শীর্ষ নেতা চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
শাহবাজ শরিফ ইরানের প্রেসিডেন্টকে জানান, প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সংঘাত নিরসনে ইসলামাবাদ সব সময় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি চলমান যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে পাঠানোর জন্য ইরান সরকারকে ধন্যবাদ জানান। ইরানের এই উদ্যোগকে তিনি শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন।
ইরানের এই প্রতিনিধিদলটি শনিবার ইসলামাবাদ ত্যাগ করে ওমানের মাসকাটে পৌঁছেছে, যেখানে তারা আঞ্চলিক শান্তি প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে পরবর্তী পর্যায়ের আলোচনায় অংশ নেবে। তাদের এই সফরের মধ্যেই মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের ইসলামাবাদে পৌঁছানোর কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাদের এই সফর বাতিল করেন।
ওয়াশিংটনের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের ফলে ত্রিপক্ষীয় আলোচনার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল তাতে সাময়িক ভাটা পড়লেও পাকিস্তান ও ইরান নিজেদের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন সফর বাতিল হওয়া সত্ত্বেও তেহরান ও ইসলামাবাদের এই আলাপচারিতা মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তার প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় রাখতে পাকিস্তান তার ‘আন্তরিক ও সৎ প্রচেষ্টা’ অব্যাহত রাখবে বলে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে আশ্বস্ত করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। শনিবার এক ফোনালাপে দুই দেশের শীর্ষ নেতা চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
শাহবাজ শরিফ ইরানের প্রেসিডেন্টকে জানান, প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সংঘাত নিরসনে ইসলামাবাদ সব সময় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি চলমান যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদে পাঠানোর জন্য ইরান সরকারকে ধন্যবাদ জানান। ইরানের এই উদ্যোগকে তিনি শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন।
ইরানের এই প্রতিনিধিদলটি শনিবার ইসলামাবাদ ত্যাগ করে ওমানের মাসকাটে পৌঁছেছে, যেখানে তারা আঞ্চলিক শান্তি প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে পরবর্তী পর্যায়ের আলোচনায় অংশ নেবে। তাদের এই সফরের মধ্যেই মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের ইসলামাবাদে পৌঁছানোর কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাদের এই সফর বাতিল করেন।
ওয়াশিংটনের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের ফলে ত্রিপক্ষীয় আলোচনার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল তাতে সাময়িক ভাটা পড়লেও পাকিস্তান ও ইরান নিজেদের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন সফর বাতিল হওয়া সত্ত্বেও তেহরান ও ইসলামাবাদের এই আলাপচারিতা মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তার প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন