ইরানি তেল কেনার অভিযোগে চীনের একটি টিপট রিফাইনারিসহ মোট ৪০টি শিপিং কোম্পানি ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয় বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো নিশ্চিত করেছে।
মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, চীনের হেংগলি পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি ইরানের অন্যতম বড় ক্রেতা হিসেবে কোটি কোটি ডলারের অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই প্রতিষ্ঠানটিকে সরাসরি নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
একই সাথে মার্কিন অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওএফএসি) ইরানের তথাকথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’ বা ছায়া জাহাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে প্রায় ৪০টি শিপিং কোম্পানি ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ইরানের তেল বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করে ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস একটি বিবৃতি দিয়েছে। বেইজিং এই নিষেধাজ্ঞাকে ‘একতরফা ও অবৈধ’ বলে অভিহিত করেছে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিষয়টিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়েছে।
উল্লেখ্য যে, এর আগেও যুক্তরাষ্ট্র চীনের একাধিক টিপট রিফাইনারির ওপর একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। সেই তালিকায় হেবেই সিনহাই কেমিক্যাল গ্রুপ, শানডং শোগুয়াং লুকিং পেট্রোকেমিক্যাল এবং শানডং শেংসিং কেমিক্যাল লিমিটেডের মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
ইরানি তেল কেনার অভিযোগে চীনের একটি টিপট রিফাইনারিসহ মোট ৪০টি শিপিং কোম্পানি ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয় বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো নিশ্চিত করেছে।
মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, চীনের হেংগলি পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি ইরানের অন্যতম বড় ক্রেতা হিসেবে কোটি কোটি ডলারের অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করেছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই প্রতিষ্ঠানটিকে সরাসরি নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
একই সাথে মার্কিন অফিস অব ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল (ওএফএসি) ইরানের তথাকথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’ বা ছায়া জাহাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে প্রায় ৪০টি শিপিং কোম্পানি ও জাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। ইরানের তেল বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করে ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস একটি বিবৃতি দিয়েছে। বেইজিং এই নিষেধাজ্ঞাকে ‘একতরফা ও অবৈধ’ বলে অভিহিত করেছে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বিষয়টিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়েছে।
উল্লেখ্য যে, এর আগেও যুক্তরাষ্ট্র চীনের একাধিক টিপট রিফাইনারির ওপর একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। সেই তালিকায় হেবেই সিনহাই কেমিক্যাল গ্রুপ, শানডং শোগুয়াং লুকিং পেট্রোকেমিক্যাল এবং শানডং শেংসিং কেমিক্যাল লিমিটেডের মতো বড় প্রতিষ্ঠানগুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আপনার মতামত লিখুন