চট্টগ্রামের বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আশফাক কবির সাজিদ হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি অনিক দাসকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শনিবার বিকেলে আনোয়ারা উপজেলার সরকারহাট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার অনিক আনোয়ারা থানার কৈনপুরা গ্রামের বাসিন্দা এবং হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, একটি মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে সাজিদের সঙ্গে তার বন্ধু ফারদিন হাসান ও স্থানীয় কয়েকজন কিশোরের বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল। গত ১২ এপ্রিল বিকেলে ফারদিনের সঙ্গে দেখা করতে গেলে সাজিদ কিশোর গ্যাং সদস্যদের হামলার শিকার হন। মারধরের একপর্যায়ে তাকে একটি নির্মাণাধীন ভবনের অষ্টম তলার লিফটের ফাঁকা গর্তে ফেলে দেওয়া হয়। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের বাবা চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। চট্টগ্রাম র্যাবের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অনিককে গ্রেপ্তার করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য চকবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামের বিএএফ শাহীন কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আশফাক কবির সাজিদ হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি অনিক দাসকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। শনিবার বিকেলে আনোয়ারা উপজেলার সরকারহাট এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার অনিক আনোয়ারা থানার কৈনপুরা গ্রামের বাসিন্দা এবং হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।
র্যাব সূত্রে জানা গেছে, একটি মোবাইল ফোনকে কেন্দ্র করে সাজিদের সঙ্গে তার বন্ধু ফারদিন হাসান ও স্থানীয় কয়েকজন কিশোরের বিরোধ সৃষ্টি হয়েছিল। গত ১২ এপ্রিল বিকেলে ফারদিনের সঙ্গে দেখা করতে গেলে সাজিদ কিশোর গ্যাং সদস্যদের হামলার শিকার হন। মারধরের একপর্যায়ে তাকে একটি নির্মাণাধীন ভবনের অষ্টম তলার লিফটের ফাঁকা গর্তে ফেলে দেওয়া হয়। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের বাবা চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। চট্টগ্রাম র্যাবের সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অনিককে গ্রেপ্তার করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য চকবাজার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

আপনার মতামত লিখুন