যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতে 'সিক্রেট সার্ভিস' নামক বিশেষায়িত বাহিনী আজীবন নিয়োজিত থাকলেও দেশটির ইতিহাসে বেশ কয়েকজন প্রেসিডেন্ট প্রাণঘাতী হামলার শিকার হয়েছেন। সবশেষ শনিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর হামলা চেষ্টার ঘটনা এই আলোচনার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। যদিও ট্রাম্প নিরাপদ আছেন, তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের চারজন প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন সময়ে আততায়ীর হাতে প্রাণ হারিয়েছেন।
১৮৬৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম গুপ্তহত্যার শিকার হন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন। ওয়াশিংটন ডিসির ফোর্ডস থিয়েটারে নাটক দেখার সময় তাকে মাথার পেছনে গুলি করে হত্যা করা হয়। এরপর ১৮৮১ সালে ওয়াশিংটন ডিসির একটি ট্রেন স্টেশনে আততায়ীর গুলিতে আহত হন প্রেসিডেন্ট জেমস গারফিল্ড। তিনি তাৎক্ষণিক মারা না গেলেও দীর্ঘ এক মাস যন্ত্রণার পর নিউজার্সিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ১৯০১ সালে নিউ ইয়র্কের বাফেলোতে উইলিয়াম ম্যাককিনলে নামে আরেকজন প্রেসিডেন্ট হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। লিওন সিজলগোস নামের এক নৈরাজ্যবাদী তাকে গুলি করেন। সবশেষ ১৯৬৩ সালের নভেম্বরে ডালাসে বিশ্বকে স্তম্ভিত করে স্নাইপারের গুলিতে নিহত হন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি। লি হার্ভে অসওয়াল্ড নামের এক ব্যক্তি এই হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত হন।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে শুরু থেকেই প্রেসিডেন্টদের হত্যার ষড়যন্ত্র ও হামলার ধারা চলে আসছে। থিওডোর রুজভেল্ট, ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট থেকে শুরু করে আধুনিক সময়ের জর্জ ডব্লিউ বুশ, বারাক ওবামা এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প—প্রায় প্রত্যেককেই কোনো না কোনো সময় প্রাণঘাতী পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। বিশেষ বাহিনীর কঠোর নজরদারি সত্ত্বেও এসব ঐতিহাসিক হত্যাকাণ্ড ও সাম্প্রতিক হামলা চেষ্টা মার্কিন রাজনীতিতে নিরাপত্তার প্রশ্নটিকে বারবার সামনে নিয়ে আসছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতে 'সিক্রেট সার্ভিস' নামক বিশেষায়িত বাহিনী আজীবন নিয়োজিত থাকলেও দেশটির ইতিহাসে বেশ কয়েকজন প্রেসিডেন্ট প্রাণঘাতী হামলার শিকার হয়েছেন। সবশেষ শনিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর হামলা চেষ্টার ঘটনা এই আলোচনার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। যদিও ট্রাম্প নিরাপদ আছেন, তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের চারজন প্রেসিডেন্ট বিভিন্ন সময়ে আততায়ীর হাতে প্রাণ হারিয়েছেন।
১৮৬৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম গুপ্তহত্যার শিকার হন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন। ওয়াশিংটন ডিসির ফোর্ডস থিয়েটারে নাটক দেখার সময় তাকে মাথার পেছনে গুলি করে হত্যা করা হয়। এরপর ১৮৮১ সালে ওয়াশিংটন ডিসির একটি ট্রেন স্টেশনে আততায়ীর গুলিতে আহত হন প্রেসিডেন্ট জেমস গারফিল্ড। তিনি তাৎক্ষণিক মারা না গেলেও দীর্ঘ এক মাস যন্ত্রণার পর নিউজার্সিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ১৯০১ সালে নিউ ইয়র্কের বাফেলোতে উইলিয়াম ম্যাককিনলে নামে আরেকজন প্রেসিডেন্ট হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। লিওন সিজলগোস নামের এক নৈরাজ্যবাদী তাকে গুলি করেন। সবশেষ ১৯৬৩ সালের নভেম্বরে ডালাসে বিশ্বকে স্তম্ভিত করে স্নাইপারের গুলিতে নিহত হন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি। লি হার্ভে অসওয়াল্ড নামের এক ব্যক্তি এই হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা হিসেবে চিহ্নিত হন।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে শুরু থেকেই প্রেসিডেন্টদের হত্যার ষড়যন্ত্র ও হামলার ধারা চলে আসছে। থিওডোর রুজভেল্ট, ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট থেকে শুরু করে আধুনিক সময়ের জর্জ ডব্লিউ বুশ, বারাক ওবামা এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প—প্রায় প্রত্যেককেই কোনো না কোনো সময় প্রাণঘাতী পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। বিশেষ বাহিনীর কঠোর নজরদারি সত্ত্বেও এসব ঐতিহাসিক হত্যাকাণ্ড ও সাম্প্রতিক হামলা চেষ্টা মার্কিন রাজনীতিতে নিরাপত্তার প্রশ্নটিকে বারবার সামনে নিয়ে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন