কুড়িগ্রামের ভূুরুঙ্গামারীতে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে রুবেল মিয়া নামে ২৭ বছর বয়সী এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নিহত রুবেল বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল জলিলের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার সন্ধ্যায় পারিবারিক কলহের জেরে চলে যাওয়া স্ত্রীকে আনতে শ্বশুরবাড়িতে যান রুবেল। সেখানে স্ত্রী জেসমিন বেগম ও তার বড় ভাই মিজানুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন মিলে রুবেলের হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে ভর্তি করান।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্ত্রী জেসমিন ও তার বড় ভাইসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা এলাকা ছেড়ে পলাতক রয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে নিহতের বাবা আব্দুল জলিল ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। নির্মম এই নির্যাতনের ঘটনায় এলাকায় শোক ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করতে পুলিশের বিশেষ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
কুড়িগ্রামের ভূুরুঙ্গামারীতে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে রুবেল মিয়া নামে ২৭ বছর বয়সী এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নিহত রুবেল বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল জলিলের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার সন্ধ্যায় পারিবারিক কলহের জেরে চলে যাওয়া স্ত্রীকে আনতে শ্বশুরবাড়িতে যান রুবেল। সেখানে স্ত্রী জেসমিন বেগম ও তার বড় ভাই মিজানুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন মিলে রুবেলের হাত-পা বেঁধে বেধড়ক মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুরে ভর্তি করান।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্ত্রী জেসমিন ও তার বড় ভাইসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা এলাকা ছেড়ে পলাতক রয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে নিহতের বাবা আব্দুল জলিল ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। নির্মম এই নির্যাতনের ঘটনায় এলাকায় শোক ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করতে পুলিশের বিশেষ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন