জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিগত সরকারের আমলে রাজবন্দিদের ওপর নির্যাতনের স্মৃতিচারণ করেছেন বিমান প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। রোববার (২৬ এপ্রিল) দেওয়া বক্তব্যে তিনি জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারকে রিমান্ডে নেওয়ার সময় পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির বলিষ্ঠ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
মিল্লাত জানান, জুলাই বিপ্লবের আগে যখন তারা একসঙ্গে কারাগারে ছিলেন, তখন একদিন মিয়া গোলাম পরওয়ারকে চোখ বেঁধে রিমান্ডে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডিবি পুলিশ। সে সময় শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে হুঙ্কার দিয়ে ওঠেন। এ্যানি প্রশ্ন তোলেন— একজন সাবেক সংসদ সদস্য হওয়া সত্ত্বেও কেন তাকে চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে? মিল্লাতের দাবি, এ্যানির সেই প্রতিবাদী হুঙ্কারে উপস্থিত ডিবি কর্মকর্তারা থমকে গিয়েছিলেন।
বক্তব্যে তিনি জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে বলেন, তৎকালীন সরকার তাদের (মিল্লাত, সালাউদ্দিন টুকু, এ্যানি) মেরে ফেলার উদ্দেশ্যেই কারাগারে পাঠিয়েছিল। তিনি দাবি করেন, এই আন্দোলনে প্রায় ১৪০০ মানুষের প্রাণ বিসর্জন দিতে হয়েছে, যার মধ্যে অর্ধেকের বেশি বিএনপির নেতাকর্মী। ১৭ বছরের দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল এই সফলতা কোনোভাবেই অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
সংসদ সদস্য মিল্লাত বিরোধীদলীয় নেতার ‘প্রতি বছর জুলাই আসবে’ বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, জুলাই আন্দোলনের সফলতা প্রতিটি জুলাইয়ে অব্যাহত থাকবে। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, রাজবন্দিদের ওপর নির্যাতনের ইতিহাস এবং আন্দোলনের আত্মত্যাগ দেশবাসী ভুলে যাবে না।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিগত সরকারের আমলে রাজবন্দিদের ওপর নির্যাতনের স্মৃতিচারণ করেছেন বিমান প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। রোববার (২৬ এপ্রিল) দেওয়া বক্তব্যে তিনি জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারকে রিমান্ডে নেওয়ার সময় পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির বলিষ্ঠ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।
মিল্লাত জানান, জুলাই বিপ্লবের আগে যখন তারা একসঙ্গে কারাগারে ছিলেন, তখন একদিন মিয়া গোলাম পরওয়ারকে চোখ বেঁধে রিমান্ডে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল ডিবি পুলিশ। সে সময় শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে হুঙ্কার দিয়ে ওঠেন। এ্যানি প্রশ্ন তোলেন— একজন সাবেক সংসদ সদস্য হওয়া সত্ত্বেও কেন তাকে চোখ বেঁধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে? মিল্লাতের দাবি, এ্যানির সেই প্রতিবাদী হুঙ্কারে উপস্থিত ডিবি কর্মকর্তারা থমকে গিয়েছিলেন।
বক্তব্যে তিনি জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে বলেন, তৎকালীন সরকার তাদের (মিল্লাত, সালাউদ্দিন টুকু, এ্যানি) মেরে ফেলার উদ্দেশ্যেই কারাগারে পাঠিয়েছিল। তিনি দাবি করেন, এই আন্দোলনে প্রায় ১৪০০ মানুষের প্রাণ বিসর্জন দিতে হয়েছে, যার মধ্যে অর্ধেকের বেশি বিএনপির নেতাকর্মী। ১৭ বছরের দীর্ঘ আন্দোলনের ফসল এই সফলতা কোনোভাবেই অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
সংসদ সদস্য মিল্লাত বিরোধীদলীয় নেতার ‘প্রতি বছর জুলাই আসবে’ বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, জুলাই আন্দোলনের সফলতা প্রতিটি জুলাইয়ে অব্যাহত থাকবে। তিনি মনে করিয়ে দেন যে, রাজবন্দিদের ওপর নির্যাতনের ইতিহাস এবং আন্দোলনের আত্মত্যাগ দেশবাসী ভুলে যাবে না।

আপনার মতামত লিখুন