ঢাকা নিউজ

২০২৬ সালে জ্বালানির দাম ২৪ শতাংশ বাড়ার আশঙ্কা



২০২৬ সালে জ্বালানির দাম ২৪ শতাংশ বাড়ার আশঙ্কা
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ ‘কমোডিটি মার্কেটস আউটলুক’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে জ্বালানির দাম প্রায় ২৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে, যা গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধি।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই সংকটের ফলে কেবল জ্বালানি নয়, বরং সামগ্রিকভাবে পণ্যমূল্য ১৬ শতাংশ এবং সারের দাম প্রায় ৩১ শতাংশ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ইউরিয়ার দাম ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের গড় দাম প্রতি ব্যারেল ৮৬ ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা পরিস্থিতি বিবেচনায় ১১৫ ডলার পর্যন্তও হতে পারে। উল্লেখ্য যে, বিশ্বের প্রায় ৩৫ শতাংশ সমুদ্রপথের তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা বর্তমানে সংকটের মুখে রয়েছে।

জ্বালানি ও সারের দাম বাড়ার প্রভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি ৫.১ শতাংশে পৌঁছাতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৬ শতাংশ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তা ইন্দর্মিত গিল সতর্ক করেছেন যে, এই পরিস্থিতির ধারাবাহিকতায় খাদ্য সংকট প্রকট হবে এবং উচ্চ সুদের হারের কারণে ঋণ গ্রহণ আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬


২০২৬ সালে জ্বালানির দাম ২৪ শতাংশ বাড়ার আশঙ্কা

প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ ‘কমোডিটি মার্কেটস আউটলুক’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে জ্বালানির দাম প্রায় ২৪ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে, যা গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যবৃদ্ধি।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই সংকটের ফলে কেবল জ্বালানি নয়, বরং সামগ্রিকভাবে পণ্যমূল্য ১৬ শতাংশ এবং সারের দাম প্রায় ৩১ শতাংশ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ইউরিয়ার দাম ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তাকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের গড় দাম প্রতি ব্যারেল ৮৬ ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা পরিস্থিতি বিবেচনায় ১১৫ ডলার পর্যন্তও হতে পারে। উল্লেখ্য যে, বিশ্বের প্রায় ৩৫ শতাংশ সমুদ্রপথের তেল হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা বর্তমানে সংকটের মুখে রয়েছে।

জ্বালানি ও সারের দাম বাড়ার প্রভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি ৫.১ শতাংশে পৌঁছাতে পারে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৬ শতাংশ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্বব্যাংকের কর্মকর্তা ইন্দর্মিত গিল সতর্ক করেছেন যে, এই পরিস্থিতির ধারাবাহিকতায় খাদ্য সংকট প্রকট হবে এবং উচ্চ সুদের হারের কারণে ঋণ গ্রহণ আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ