ঢাকা নিউজ

এআরটি চুক্তি নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জামায়াত আমিরের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য



এআরটি চুক্তি নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জামায়াত আমিরের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ (এআরটি) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ, যার ফলে দেশীয় পণ্য রপ্তানিতে মার্কিন পালটা শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমে ১৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তবে গত ৯ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত এই চুক্তির বিষয়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনার দাবি নিয়ে তৈরি হয়েছে ধূম্রজাল।

বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দাবি করেছেন, নির্বাচনের আগে দেশের প্রধান দুটি দলের প্রধানকে এই চুক্তির বিষয়ে জানানো হয়েছিল এবং তারা এতে সম্মতি দিয়েছিলেন। তবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, এই চুক্তির বিষয়ে তাদের সাথে কোনো আলোচনা করা হয়নি।

বিষয়টি নিয়ে একটি টকশোতে সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের মুখোমুখি হন সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিন। শফিকুল আলম জানান, আন্তর্জাতিক চুক্তি হিসেবে এটি কেবিনেটে অনুমোদিত হয়েছে। তবে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

শফিকুল আলমের মতে, যেহেতু এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি, তাই তৎকালীন সরকার প্রধানের এটি জানার কথা। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত হতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গেই কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি। এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে এআরটি চুক্তি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬


এআরটি চুক্তি নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জামায়াত আমিরের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য

প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ (এআরটি) চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ, যার ফলে দেশীয় পণ্য রপ্তানিতে মার্কিন পালটা শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমে ১৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তবে গত ৯ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত এই চুক্তির বিষয়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনার দাবি নিয়ে তৈরি হয়েছে ধূম্রজাল।

বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান দাবি করেছেন, নির্বাচনের আগে দেশের প্রধান দুটি দলের প্রধানকে এই চুক্তির বিষয়ে জানানো হয়েছিল এবং তারা এতে সম্মতি দিয়েছিলেন। তবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, এই চুক্তির বিষয়ে তাদের সাথে কোনো আলোচনা করা হয়নি।

বিষয়টি নিয়ে একটি টকশোতে সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের মুখোমুখি হন সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিন। শফিকুল আলম জানান, আন্তর্জাতিক চুক্তি হিসেবে এটি কেবিনেটে অনুমোদিত হয়েছে। তবে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

শফিকুল আলমের মতে, যেহেতু এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি, তাই তৎকালীন সরকার প্রধানের এটি জানার কথা। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত হতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গেই কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি। এই পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে এআরটি চুক্তি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ