কুমিল্লার বরুড়ায় নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর ছয় বছরের শিশু আজমাঈন হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে ওড্ডা গ্রামে নিজ বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে শিশুটির মরদেহ ভেসে ওঠে। মৃত আজমাঈন ওই গ্রামের মো. শাহজাহান হোসেন সাজুর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার বিকেলে বাড়ির পাশের মসজিদের সামনে খেলাধুলা করার সময় নিখোঁজ হয় আজমাঈন। দীর্ঘ সময় সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার সন্ধান চেয়ে আবেদন জানান। অবশেষে বুধবার দুপুরে বাড়ির পাশের ডোবায় তার মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা তা উদ্ধার করে।
বরুড়া থানার ওসি মো. আজহারুল ইসলাম জানান, খেলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ডোবায় পড়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন আজমাঈনের বাবা-মা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় ওড্ডা গ্রামসহ পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের একমাত্র আদরের সন্তানকে হারিয়ে স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লার বরুড়ায় নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর ছয় বছরের শিশু আজমাঈন হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে ওড্ডা গ্রামে নিজ বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে শিশুটির মরদেহ ভেসে ওঠে। মৃত আজমাঈন ওই গ্রামের মো. শাহজাহান হোসেন সাজুর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার বিকেলে বাড়ির পাশের মসজিদের সামনে খেলাধুলা করার সময় নিখোঁজ হয় আজমাঈন। দীর্ঘ সময় সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার সন্ধান চেয়ে আবেদন জানান। অবশেষে বুধবার দুপুরে বাড়ির পাশের ডোবায় তার মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয়রা তা উদ্ধার করে।
বরুড়া থানার ওসি মো. আজহারুল ইসলাম জানান, খেলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ডোবায় পড়ে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন আজমাঈনের বাবা-মা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় ওড্ডা গ্রামসহ পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের একমাত্র আদরের সন্তানকে হারিয়ে স্বজনদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।

আপনার মতামত লিখুন