ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌর শহরের শাহপুর ও আড়াইবাড়ি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে একজন হজযাত্রীর হারিয়ে যাওয়া লাগেজকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় চার ঘণ্টাব্যাপী এক ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৩ জুন) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন রাবার বুলেট এবং কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলেও দীর্ঘ সময় পর্যন্ত উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর শাহপুর গ্রামের এক বৃদ্ধা হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে যান এবং সেখানে তাঁর একটি লাগেজ হারিয়ে যায়। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই হজযাত্রী লাগেজের বিষয়ে খোঁজ নিতে আড়াইবাড়ি গ্রামের মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন পরিচালিত ‘কসবা হজ কাফেলা’ ট্রাভেল এজেন্সিতে যান। সেখান থেকে জানানো হয়, হারিয়ে যাওয়া লাগেজের দায়ভার ট্রাভেল এজেন্সির নয়, বরং হজযাত্রীর নিজস্ব বিষয়। এই নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা, হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে, যার জেরে দুপক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে শাহপুর ও আড়াইবাড়ি গ্রামের শত শত লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে ধাওয়া-পালটা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের কারণে কদমতলী মোড়সহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
খবর পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে দাঙ্গাকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। কসবা থানার ওসি নাজনিন সুলতানা জানান, পূর্ববিরোধের জের ধরে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। আহতদের উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর এবং কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌর শহরের শাহপুর ও আড়াইবাড়ি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে একজন হজযাত্রীর হারিয়ে যাওয়া লাগেজকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় চার ঘণ্টাব্যাপী এক ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৩ জুন) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন রাবার বুলেট এবং কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলেও দীর্ঘ সময় পর্যন্ত উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর শাহপুর গ্রামের এক বৃদ্ধা হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে যান এবং সেখানে তাঁর একটি লাগেজ হারিয়ে যায়। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই হজযাত্রী লাগেজের বিষয়ে খোঁজ নিতে আড়াইবাড়ি গ্রামের মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন পরিচালিত ‘কসবা হজ কাফেলা’ ট্রাভেল এজেন্সিতে যান। সেখান থেকে জানানো হয়, হারিয়ে যাওয়া লাগেজের দায়ভার ট্রাভেল এজেন্সির নয়, বরং হজযাত্রীর নিজস্ব বিষয়। এই নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা, হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে, যার জেরে দুপক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে শাহপুর ও আড়াইবাড়ি গ্রামের শত শত লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে ধাওয়া-পালটা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের কারণে কদমতলী মোড়সহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
খবর পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাবার বুলেট ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে দাঙ্গাকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। কসবা থানার ওসি নাজনিন সুলতানা জানান, পূর্ববিরোধের জের ধরে দুই গ্রামের লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাজ করছে। আহতদের উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর এবং কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন