দিনাজপুরের হিলিতে গত তিন দিনের টানা বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন মাঠে ধানের গাছ হেলে পড়ে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কাঙ্ক্ষিত ফলন না হওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। নিচু এলাকার জমিগুলোতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ধান কাটার সময় পিছিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
হাকিমপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক জমির ধান বর্তমানে পানির নিচে অবস্থান করছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, আর কিছু দিন পরেই ধান কাটার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে মাঠের ফসল রক্ষা করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের।
হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৭ হাজার ৬২৬ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে মাঠের জমে থাকা পানি দ্রুত সরিয়ে ফেলা এবং হেলে পড়া ধানের গাছগুলো গুচ্ছ করে বেঁধে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কৃষি বিভাগ আরও পরামর্শ দিয়েছে যে, যেসব এলাকায় ধান পেকে গেছে, সেগুলো যেন বিলম্ব না করে দ্রুত কেটে ফেলা হয়। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে কৃষকদের সতর্ক থাকার এবং কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দিনাজপুরের হিলিতে গত তিন দিনের টানা বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন মাঠে ধানের গাছ হেলে পড়ে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কাঙ্ক্ষিত ফলন না হওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। নিচু এলাকার জমিগুলোতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ধান কাটার সময় পিছিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
হাকিমপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অনেক জমির ধান বর্তমানে পানির নিচে অবস্থান করছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, আর কিছু দিন পরেই ধান কাটার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে মাঠের ফসল রক্ষা করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের।
হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৭ হাজার ৬২৬ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে মাঠের জমে থাকা পানি দ্রুত সরিয়ে ফেলা এবং হেলে পড়া ধানের গাছগুলো গুচ্ছ করে বেঁধে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কৃষি বিভাগ আরও পরামর্শ দিয়েছে যে, যেসব এলাকায় ধান পেকে গেছে, সেগুলো যেন বিলম্ব না করে দ্রুত কেটে ফেলা হয়। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে কৃষকদের সতর্ক থাকার এবং কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন