নেত্রকোনার দুর্গাপুরে টানা বৃষ্টিপাত ও ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সোমেশ্বরী নদীর পানি দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। বুধবার সকাল থেকেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বিজয়পুর পয়েন্ট দিয়ে উজানের পানি ঢুকতে শুরু করায় মাঠের বোরো ধান ঘরে তোলা নিয়ে চরম শঙ্কায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। পানি বৃদ্ধির ফলে নদীর ওপর নির্মিত অস্থায়ী কাঠের সেতুগুলো তলিয়ে যাওয়ায় নদী পারাপারে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
ভারতের মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টির প্রভাবে সোমেশ্বরী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় তেরী বাজার ঘাট থেকে শিবগঞ্জ এবং বিরিশিরি থেকে দক্ষিণ ভবানীপুর এলাকায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের অর্থায়নে নির্মিত কাঠের সেতুগুলো ভেঙে গেছে। সেতু না থাকায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ এখন ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পারাপার হচ্ছেন। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে নদীর তীরবর্তী নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, দুর্গাপুর উপজেলায় এ বছর ১৭ হাজার ৬০৮ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে, যার মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ১ হাজার ২০০ হেক্টর ধান কাটা হয়েছে। কৃষি কর্মকর্তা নিপা বিশ্বাস জানিয়েছেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কৃষকদের দ্রুত ধান কেটে নেওয়ার জন্য মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ধান ঘরে তোলা নিয়ে বড় ধরনের বিপাকে পড়বেন কৃষকরা।
দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, এখনো বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি না হলেও পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকদের ধান কাটতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং কৃষকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে টানা বৃষ্টিপাত ও ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সোমেশ্বরী নদীর পানি দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। বুধবার সকাল থেকেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বিজয়পুর পয়েন্ট দিয়ে উজানের পানি ঢুকতে শুরু করায় মাঠের বোরো ধান ঘরে তোলা নিয়ে চরম শঙ্কায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। পানি বৃদ্ধির ফলে নদীর ওপর নির্মিত অস্থায়ী কাঠের সেতুগুলো তলিয়ে যাওয়ায় নদী পারাপারে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
ভারতের মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টির প্রভাবে সোমেশ্বরী নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় তেরী বাজার ঘাট থেকে শিবগঞ্জ এবং বিরিশিরি থেকে দক্ষিণ ভবানীপুর এলাকায় স্থানীয় সংসদ সদস্যের অর্থায়নে নির্মিত কাঠের সেতুগুলো ভেঙে গেছে। সেতু না থাকায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ এখন ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পারাপার হচ্ছেন। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে নদীর তীরবর্তী নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়ে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, দুর্গাপুর উপজেলায় এ বছর ১৭ হাজার ৬০৮ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে, যার মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ১ হাজার ২০০ হেক্টর ধান কাটা হয়েছে। কৃষি কর্মকর্তা নিপা বিশ্বাস জানিয়েছেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কৃষকদের দ্রুত ধান কেটে নেওয়ার জন্য মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ধান ঘরে তোলা নিয়ে বড় ধরনের বিপাকে পড়বেন কৃষকরা।
দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, এখনো বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি না হলেও পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকদের ধান কাটতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং কৃষকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন