কুড়িগ্রামের চিলমারীতে গত কয়েকদিনের টানা ভারি বর্ষণে বোরো মৌসুমের পাকা, আধা-পাকা ও কাঁচা ধান বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। মাঠের ফসল চোখের সামনে নষ্ট হতে দেখে উপজেলার প্রায় ১২ হাজার কৃষক এখন দিশেহারা। জলাবদ্ধতার কারণে নিচু জমির ধান পুরোপুরি নিমজ্জিত হয়েছে এবং অপেক্ষাকৃত উঁচু জমিতেও পানি জমে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, ধানের ফলন এবার বেশ ভালো হয়েছিল, কিন্তু কাটার আগ মুহূর্তে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ তাদের স্বপ্ন ধুলিসাৎ করে দিচ্ছে। লিয়াকত আলী ও ইয়াকুব আলীর মতো অনেক ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক জানিয়েছেন, বৃষ্টির সাথে হালকা বাতাসের কারণে মাঠের কাঁচা ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে, যা পচে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। পাকা ধান বৃষ্টির মধ্যে কোনোমতে কেটে নেওয়ার চেষ্টা করলেও আধা-পাকা ও কাঁচা ধান নিয়ে তারা চরম সংকটে পড়েছেন।
চিলমারী উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ৬ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। অতিবৃষ্টির ফলে অধিকাংশ জমির ধান নুয়ে পড়েছে এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্বীকার করে কৃষকদের জন্য জরুরি কিছু পরামর্শ দিয়েছেন:
জমির জমাটবদ্ধ পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা।
ধানের ৮০ শতাংশ পেকে গেলে বিলম্ব না করে দ্রুত কেটে ফেলা।
যেসব ধান নুয়ে পড়েছে, সেগুলো কয়েকটি গোছা একত্রে করে বেঁধে দাঁড় করিয়ে রাখা।
কৃষি বিভাগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে গত কয়েকদিনের টানা ভারি বর্ষণে বোরো মৌসুমের পাকা, আধা-পাকা ও কাঁচা ধান বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে। মাঠের ফসল চোখের সামনে নষ্ট হতে দেখে উপজেলার প্রায় ১২ হাজার কৃষক এখন দিশেহারা। জলাবদ্ধতার কারণে নিচু জমির ধান পুরোপুরি নিমজ্জিত হয়েছে এবং অপেক্ষাকৃত উঁচু জমিতেও পানি জমে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, ধানের ফলন এবার বেশ ভালো হয়েছিল, কিন্তু কাটার আগ মুহূর্তে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ তাদের স্বপ্ন ধুলিসাৎ করে দিচ্ছে। লিয়াকত আলী ও ইয়াকুব আলীর মতো অনেক ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক জানিয়েছেন, বৃষ্টির সাথে হালকা বাতাসের কারণে মাঠের কাঁচা ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে, যা পচে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। পাকা ধান বৃষ্টির মধ্যে কোনোমতে কেটে নেওয়ার চেষ্টা করলেও আধা-পাকা ও কাঁচা ধান নিয়ে তারা চরম সংকটে পড়েছেন।
চিলমারী উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ৬ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের বোরো ধান চাষ করা হয়েছে। অতিবৃষ্টির ফলে অধিকাংশ জমির ধান নুয়ে পড়েছে এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কনক চন্দ্র পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্বীকার করে কৃষকদের জন্য জরুরি কিছু পরামর্শ দিয়েছেন:
জমির জমাটবদ্ধ পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা।
ধানের ৮০ শতাংশ পেকে গেলে বিলম্ব না করে দ্রুত কেটে ফেলা।
যেসব ধান নুয়ে পড়েছে, সেগুলো কয়েকটি গোছা একত্রে করে বেঁধে দাঁড় করিয়ে রাখা।
কৃষি বিভাগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন