ঢাকা নিউজ

ইরানে নতুন হামলার আশঙ্কায় তেলের বাজারে অস্থিরতা



ইরানে নতুন হামলার আশঙ্কায় তেলের বাজারে অস্থিরতা
ছবি : সংগৃহীত

ইরানে পুনরায় বড় ধরনের সামরিক অভিযানের সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ব্রিফিং দেওয়া হবে—এমন খবরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। গত বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১২৬ ডলার ছাড়িয়ে যায়, যা ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের তথ্যমতে, ইরানের ওপর একটি ‘স্বল্পমেয়াদী কিন্তু শক্তিশালী’ বিমান হামলার পরিকল্পনা করছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। পাশাপাশি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করতে সেখানে পদাতিক সেনা পাঠানোর বিষয়টিও ট্রাম্প প্রশাসনের বিবেচনায় রয়েছে।

বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। যুদ্ধ ও অবরোধের কারণে এই পথটি বর্তমানে কার্যত অচল থাকায় বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় ধস নামার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। এর ফলে শুধু জ্বালানি নয়, খাদ্যপণ্যের দাম ও উড়োজাহাজের ভাড়াও আকাশচুম্বী হতে পারে।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেল খাতের নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক করে মার্কিন গ্রাহকদের ওপর প্রভাব কমানোর চেষ্টা করলেও বাজার বিশ্লেষকরা আশাবাদী হতে পারছেন না। যুদ্ধের স্থায়িত্ব বাড়লে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে—এমন আশঙ্কায় ইতোমধ্যে এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতে বড় ধরনের দরপতন লক্ষ্য করা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬


ইরানে নতুন হামলার আশঙ্কায় তেলের বাজারে অস্থিরতা

প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬

featured Image

ইরানে পুনরায় বড় ধরনের সামরিক অভিযানের সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ব্রিফিং দেওয়া হবে—এমন খবরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। গত বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১২৬ ডলার ছাড়িয়ে যায়, যা ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের তথ্যমতে, ইরানের ওপর একটি ‘স্বল্পমেয়াদী কিন্তু শক্তিশালী’ বিমান হামলার পরিকল্পনা করছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। পাশাপাশি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করতে সেখানে পদাতিক সেনা পাঠানোর বিষয়টিও ট্রাম্প প্রশাসনের বিবেচনায় রয়েছে।

বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। যুদ্ধ ও অবরোধের কারণে এই পথটি বর্তমানে কার্যত অচল থাকায় বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় ধস নামার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। এর ফলে শুধু জ্বালানি নয়, খাদ্যপণ্যের দাম ও উড়োজাহাজের ভাড়াও আকাশচুম্বী হতে পারে।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেল খাতের নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক করে মার্কিন গ্রাহকদের ওপর প্রভাব কমানোর চেষ্টা করলেও বাজার বিশ্লেষকরা আশাবাদী হতে পারছেন না। যুদ্ধের স্থায়িত্ব বাড়লে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে—এমন আশঙ্কায় ইতোমধ্যে এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতে বড় ধরনের দরপতন লক্ষ্য করা গেছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ