যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ওয়াশিংটন ইতোমধ্যেই জয়লাভ করেছে, তবে তিনি এই বিজয়কে আরও বড় ব্যবধানে নিশ্চিত করতে চান। বৃহস্পতিবার নিউজম্যাক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, মার্কিন বাহিনী তেহরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার এবং নেতৃত্ব কাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। ট্রাম্পের মতে, যুদ্ধে ইরান যে পরিমাণ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে দেশটির অন্তত দুই দশক সময় লেগে যেতে পারে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও স্পষ্ট করেন যে, বর্তমান ধ্বংসযজ্ঞ সত্ত্বেও তিনি এখনই সন্তুষ্ট নন। তিনি এমন একটি গ্যারান্টি চান যাতে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে। ট্রাম্পের ভাষায়, "আমরা ইতোমধ্যেই জিতেছি, কিন্তু আমি আরও বড় ব্যবধানে জিততে চাই।" তিনি মনে করেন, এখন যুক্তরাষ্ট্র সরে দাঁড়ালে ইরানের পুনর্গঠন প্রক্রিয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে অথবা দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হবে।
এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবরোধের ফলে ইরানের অর্থনীতি চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প। তিনি জানান, দেশটিতে বর্তমানে মূল্যস্ফীতি প্রায় ১০০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে এবং শতভাগ কার্যকর অবরোধের কারণে ইরান কোনো তেল রপ্তানি করতে পারছে না। আল আরাবিয়ার তথ্যমতে, তেহরানের ওপর এই ধারাবাহিক চাপ বজায় রেখে ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে চিরতরে দূরে রাখাই ট্রাম্প প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ওয়াশিংটন ইতোমধ্যেই জয়লাভ করেছে, তবে তিনি এই বিজয়কে আরও বড় ব্যবধানে নিশ্চিত করতে চান। বৃহস্পতিবার নিউজম্যাক্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, মার্কিন বাহিনী তেহরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার এবং নেতৃত্ব কাঠামো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছে। ট্রাম্পের মতে, যুদ্ধে ইরান যে পরিমাণ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে দেশটির অন্তত দুই দশক সময় লেগে যেতে পারে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও স্পষ্ট করেন যে, বর্তমান ধ্বংসযজ্ঞ সত্ত্বেও তিনি এখনই সন্তুষ্ট নন। তিনি এমন একটি গ্যারান্টি চান যাতে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে। ট্রাম্পের ভাষায়, "আমরা ইতোমধ্যেই জিতেছি, কিন্তু আমি আরও বড় ব্যবধানে জিততে চাই।" তিনি মনে করেন, এখন যুক্তরাষ্ট্র সরে দাঁড়ালে ইরানের পুনর্গঠন প্রক্রিয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে অথবা দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হবে।
এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবরোধের ফলে ইরানের অর্থনীতি চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প। তিনি জানান, দেশটিতে বর্তমানে মূল্যস্ফীতি প্রায় ১০০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে এবং শতভাগ কার্যকর অবরোধের কারণে ইরান কোনো তেল রপ্তানি করতে পারছে না। আল আরাবিয়ার তথ্যমতে, তেহরানের ওপর এই ধারাবাহিক চাপ বজায় রেখে ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে চিরতরে দূরে রাখাই ট্রাম্প প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।

আপনার মতামত লিখুন