ইরান যুদ্ধের পক্ষে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন পেতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্ধারিত ৬০ দিনের আইনি সময়সীমা বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শেষ হতে চলেছে। গত মার্চের শুরুতে হামলা সংক্রান্ত বিষয়টি কংগ্রেসকে অবহিত করার পর 'ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট' অনুযায়ী এই সময় গণনা শুরু হয়েছিল। আইন অনুযায়ী, আইনপ্রণেতাদের অনুমোদন না থাকলে এই সময়সীমা পার হওয়ার পর সরকারকে সামরিক তৎপরতা গুটিয়ে নিতে হয়। তবে ডেমোক্র্যাটদের তীব্র বিরোধিতা এবং স্পষ্ট কোনো অনুমোদন ছাড়াই ট্রাম্প তার সামরিক পরিকল্পনা চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানে অটল রয়েছেন।
সিনেটে ডেমোক্র্যাট দলীয় নেতা চাক শুমার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই সময়সীমা পার হলে ট্রাম্প স্পষ্টতই যুদ্ধ ক্ষমতা আইন লঙ্ঘন করবেন। অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে যে গত এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির ফলে এই সময় গণনার ঘড়িটি থেমে গেছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, বর্তমানে শত্রুতা বন্ধ থাকায় আইনি সময়সীমা স্থগিত রয়েছে। তবে ডেমোক্র্যাটরা প্রশাসনের এই ব্যাখ্যাকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং একে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে দেখছেন।
প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ ক্ষমতা নিয়ে কংগ্রেসের কর্তৃত্বের এই বড় পরীক্ষায় রিপাবলিকান দলের ভেতরেও অস্বস্তি বাড়ছে। উটাহর প্রতিনিধি জন কার্টিসসহ কিছু রিপাবলিকান সদস্য স্পষ্ট কৌশল ও অনুমোদন ছাড়া দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তবে রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত হাউস এবং প্রেসিডেন্টের ভেটো দেওয়ার ক্ষমতার কারণে যুদ্ধ বন্ধের আইনি প্রচেষ্টা সফল হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যাডাম শিফ এই যুদ্ধের ব্যয় ও প্রাণহানির কথা উল্লেখ করে দ্রুত সামরিক তৎপরতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
ইরান যুদ্ধের পক্ষে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন পেতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্ধারিত ৬০ দিনের আইনি সময়সীমা বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শেষ হতে চলেছে। গত মার্চের শুরুতে হামলা সংক্রান্ত বিষয়টি কংগ্রেসকে অবহিত করার পর 'ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট' অনুযায়ী এই সময় গণনা শুরু হয়েছিল। আইন অনুযায়ী, আইনপ্রণেতাদের অনুমোদন না থাকলে এই সময়সীমা পার হওয়ার পর সরকারকে সামরিক তৎপরতা গুটিয়ে নিতে হয়। তবে ডেমোক্র্যাটদের তীব্র বিরোধিতা এবং স্পষ্ট কোনো অনুমোদন ছাড়াই ট্রাম্প তার সামরিক পরিকল্পনা চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানে অটল রয়েছেন।
সিনেটে ডেমোক্র্যাট দলীয় নেতা চাক শুমার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, এই সময়সীমা পার হলে ট্রাম্প স্পষ্টতই যুদ্ধ ক্ষমতা আইন লঙ্ঘন করবেন। অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করছে যে গত এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির ফলে এই সময় গণনার ঘড়িটি থেমে গেছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, বর্তমানে শত্রুতা বন্ধ থাকায় আইনি সময়সীমা স্থগিত রয়েছে। তবে ডেমোক্র্যাটরা প্রশাসনের এই ব্যাখ্যাকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং একে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে দেখছেন।
প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ ক্ষমতা নিয়ে কংগ্রেসের কর্তৃত্বের এই বড় পরীক্ষায় রিপাবলিকান দলের ভেতরেও অস্বস্তি বাড়ছে। উটাহর প্রতিনিধি জন কার্টিসসহ কিছু রিপাবলিকান সদস্য স্পষ্ট কৌশল ও অনুমোদন ছাড়া দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তবে রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত হাউস এবং প্রেসিডেন্টের ভেটো দেওয়ার ক্ষমতার কারণে যুদ্ধ বন্ধের আইনি প্রচেষ্টা সফল হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যাডাম শিফ এই যুদ্ধের ব্যয় ও প্রাণহানির কথা উল্লেখ করে দ্রুত সামরিক তৎপরতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন