মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার চরজোকা গ্রামে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জুমার নামাজের পর মসজিদের ভেতর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গয়েশপুর ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক দুই নেতার সামাজিক দলের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এই হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে লাল্টু শেখ নামে এক কৃষককে একা পেয়ে প্রতিপক্ষ দুলু গ্রুপের লোকজন কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় সাচ্চু গ্রুপের সমর্থকরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে মসজিদের সামনে অবস্থান নিলে দুলু সমর্থিতরা ভেতরে আটকা পড়েন। একপর্যায়ে হামলাকারীরা মসজিদের দেয়াল ভেঙে ভেতরে ঢুকে আরও তিনজনকে কুপিয়ে জখম করে।
মসজিদের ভেতরে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে সাচ্চু গ্রুপের নেতা মিনহাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সময় প্রতিপক্ষের লোকজন আহত হয়ে ভেতরে ঢুকে থাকতে পারে। অন্যদিকে হাবিবুর রহমান দুলু দাবি করেছেন, রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এই পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে শ্রীপুর থানার ওসি নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার চরজোকা গ্রামে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে জুমার নামাজের পর মসজিদের ভেতর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গয়েশপুর ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক দুই নেতার সামাজিক দলের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এই হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে লাল্টু শেখ নামে এক কৃষককে একা পেয়ে প্রতিপক্ষ দুলু গ্রুপের লোকজন কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় সাচ্চু গ্রুপের সমর্থকরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে মসজিদের সামনে অবস্থান নিলে দুলু সমর্থিতরা ভেতরে আটকা পড়েন। একপর্যায়ে হামলাকারীরা মসজিদের দেয়াল ভেঙে ভেতরে ঢুকে আরও তিনজনকে কুপিয়ে জখম করে।
মসজিদের ভেতরে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে সাচ্চু গ্রুপের নেতা মিনহাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, সংঘর্ষের সময় প্রতিপক্ষের লোকজন আহত হয়ে ভেতরে ঢুকে থাকতে পারে। অন্যদিকে হাবিবুর রহমান দুলু দাবি করেছেন, রাজনৈতিক স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে এই পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে শ্রীপুর থানার ওসি নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন