রাজধানীর আশকোনা হজক্যাম্প থেকে হজযাত্রী দম্পতির সৌদি রিয়াল চুরির ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার ভিত্তিতে পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে চুরি হওয়া ২২ হাজার সৌদি রিয়ালের মধ্যে ১৭ হাজার ৫০০ রিয়াল এবং নগদ ৯০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন হাবিবুর রহমান ও নাদিম। শুক্রবার আশকোনা হজক্যাম্পে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।
ঘটনাটি ঘটে গত ২২ এপ্রিল, যখন হজযাত্রী ইমান আলীর ব্যাগ থেকে ২২ হাজার সৌদি রিয়াল ও ১০ হাজার টাকা চুরি হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, পাঞ্জাবি-পাজামা পরিহিত এক ব্যক্তি হজযাত্রীর ছদ্মবেশে অত্যন্ত অভিনব কায়দায় টাকাগুলো চুরি করে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে ওই দম্পতিকে দুই হাজার রিয়াল সহায়তা প্রদান করেন এবং তারা নির্ধারিত ফ্লাইটে সৌদি আরব গমন করেন।
মামলাটি তদন্তের ধারাবাহিকতায় পুলিশের একটি বিশেষ দল মতলব, কুমিল্লা, মুন্সিগঞ্জ ও রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত হাবিবুর রহমানকে আটক করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টঙ্গী থেকে নাদিমকে গ্রেফতার করা হয় এবং এই চুরির মাস্টারমাইন্ড আব্দুল মান্নানের আত্মীয়ের বাসা থেকে খোয়া যাওয়া অর্থ উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে আব্দুল মান্নান পলাতক থাকলেও তাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। টাকা উদ্ধারের খবর শুনে ভুক্তভোগী ইমান আলী মক্কা থেকে এক প্রতিক্রিয়ায় ধর্মমন্ত্রী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
রাজধানীর আশকোনা হজক্যাম্প থেকে হজযাত্রী দম্পতির সৌদি রিয়াল চুরির ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার ভিত্তিতে পরিচালিত এক যৌথ অভিযানে চুরি হওয়া ২২ হাজার সৌদি রিয়ালের মধ্যে ১৭ হাজার ৫০০ রিয়াল এবং নগদ ৯০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন হাবিবুর রহমান ও নাদিম। শুক্রবার আশকোনা হজক্যাম্পে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।
ঘটনাটি ঘটে গত ২২ এপ্রিল, যখন হজযাত্রী ইমান আলীর ব্যাগ থেকে ২২ হাজার সৌদি রিয়াল ও ১০ হাজার টাকা চুরি হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, পাঞ্জাবি-পাজামা পরিহিত এক ব্যক্তি হজযাত্রীর ছদ্মবেশে অত্যন্ত অভিনব কায়দায় টাকাগুলো চুরি করে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে ওই দম্পতিকে দুই হাজার রিয়াল সহায়তা প্রদান করেন এবং তারা নির্ধারিত ফ্লাইটে সৌদি আরব গমন করেন।
মামলাটি তদন্তের ধারাবাহিকতায় পুলিশের একটি বিশেষ দল মতলব, কুমিল্লা, মুন্সিগঞ্জ ও রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত হাবিবুর রহমানকে আটক করে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টঙ্গী থেকে নাদিমকে গ্রেফতার করা হয় এবং এই চুরির মাস্টারমাইন্ড আব্দুল মান্নানের আত্মীয়ের বাসা থেকে খোয়া যাওয়া অর্থ উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে আব্দুল মান্নান পলাতক থাকলেও তাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। টাকা উদ্ধারের খবর শুনে ভুক্তভোগী ইমান আলী মক্কা থেকে এক প্রতিক্রিয়ায় ধর্মমন্ত্রী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন