কারাবন্দি শান্তিতে নোবেলজয়ী ইরানি মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদির শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হওয়ায় তাঁকে কারাগার থেকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) তাঁর ফাউন্ডেশন থেকে জানানো হয়, ৫৩ বছর বয়সি এই নেত্রী উত্তর-পশ্চিম ইরানের জানজান কারাগারে দু’বার অজ্ঞান হয়ে পড়েন এবং গুরুতর হৃদরোগজনিত সংকটে ভুগছিলেন। কারাগারের চিকিৎসকেরা তাঁর অবস্থাকে সেখানে সামাল দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানালে কর্তৃপক্ষ তাঁকে হাসপাতালে পাঠাতে বাধ্য হয়।
নার্গিস মোহাম্মদির আইনজীবীদের মতে, গত মার্চের শেষ দিকেও তিনি একবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সে সময় তাঁকে অত্যন্ত ফ্যাকাশে ও দুর্বল অবস্থায় দেখা গিয়েছিল এবং চলাচলের জন্য অন্যের সহায়তা নিতে হচ্ছিল। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর মাশহাদ শহরে সফরের সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয় এবং চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ‘অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে সমাবেশ ও যোগসাজশ’সহ বিভিন্ন অভিযোগে তাঁকে সাত বছরেরও বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মোহাম্মদির পরিবারের অভিযোগ, ডিসেম্বর মাসে গ্রেফতারের সময় তিনি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, যার ফলে তাঁর স্বাস্থ্যের ক্রমাবনতি ঘটছে। এদিকে নোবেল কমিটি এক বিবৃতিতে নার্গিস মোহাম্মদির ওপর চলমান এই ‘জীবন-হানিকর নির্যাতনের’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং তাঁর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অধীনে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছে। বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বর্তমানে তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
কারাবন্দি শান্তিতে নোবেলজয়ী ইরানি মানবাধিকারকর্মী নার্গিস মোহাম্মদির শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হওয়ায় তাঁকে কারাগার থেকে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) তাঁর ফাউন্ডেশন থেকে জানানো হয়, ৫৩ বছর বয়সি এই নেত্রী উত্তর-পশ্চিম ইরানের জানজান কারাগারে দু’বার অজ্ঞান হয়ে পড়েন এবং গুরুতর হৃদরোগজনিত সংকটে ভুগছিলেন। কারাগারের চিকিৎসকেরা তাঁর অবস্থাকে সেখানে সামাল দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানালে কর্তৃপক্ষ তাঁকে হাসপাতালে পাঠাতে বাধ্য হয়।
নার্গিস মোহাম্মদির আইনজীবীদের মতে, গত মার্চের শেষ দিকেও তিনি একবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সে সময় তাঁকে অত্যন্ত ফ্যাকাশে ও দুর্বল অবস্থায় দেখা গিয়েছিল এবং চলাচলের জন্য অন্যের সহায়তা নিতে হচ্ছিল। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর মাশহাদ শহরে সফরের সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয় এবং চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ‘অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে সমাবেশ ও যোগসাজশ’সহ বিভিন্ন অভিযোগে তাঁকে সাত বছরেরও বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মোহাম্মদির পরিবারের অভিযোগ, ডিসেম্বর মাসে গ্রেফতারের সময় তিনি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, যার ফলে তাঁর স্বাস্থ্যের ক্রমাবনতি ঘটছে। এদিকে নোবেল কমিটি এক বিবৃতিতে নার্গিস মোহাম্মদির ওপর চলমান এই ‘জীবন-হানিকর নির্যাতনের’ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং তাঁর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অধীনে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছে। বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বর্তমানে তাঁর স্বাস্থ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

আপনার মতামত লিখুন