মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান যুদ্ধের আবহে কিউবাকে ‘দখল’ করার বিষয়ে এক চাঞ্চল্যকর রসিকতা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১ মে) এক জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি ইঙ্গিত দেন যে, ইরান অভিযান শেষ করে ফেরার পথেই যুক্তরাষ্ট্র কিউবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে। ট্রাম্পের এই মন্তব্য উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে হাসির রোল সৃষ্টি করে।
বক্তব্য চলাকালীন নিজের এক বন্ধুকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প বলেন, “সে মূলত কিউবা নামের একটি জায়গা থেকে এসেছে, যেটি আমরা খুব দ্রুতই দখল করে নেব।” ইরান যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও যোগ করেন, “আগে একটা কাজ শেষ করি, আমি কাজ শেষ করতে পছন্দ করি। ইরান থেকে ফেরার পথেই আমরা এটা করব।” তিনি কৌতুক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন কিউবার উপকূলের কাছে গিয়ে দাঁড়ালেই তারা আত্মসমর্পণ করবে।
রসিকতা করলেও একই দিনে কিউবা সরকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন ট্রাম্প। সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই মন্তব্য এবং নতুন নিষেধাজ্ঞা কিউবা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান সংকটের মধ্যেই কিউবা নিয়ে ট্রাম্পের এই অবস্থান তাঁর হার্ডলাইন পররাষ্ট্রনীতিরই প্রতিফলন।

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান যুদ্ধের আবহে কিউবাকে ‘দখল’ করার বিষয়ে এক চাঞ্চল্যকর রসিকতা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১ মে) এক জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি ইঙ্গিত দেন যে, ইরান অভিযান শেষ করে ফেরার পথেই যুক্তরাষ্ট্র কিউবার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে। ট্রাম্পের এই মন্তব্য উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে হাসির রোল সৃষ্টি করে।
বক্তব্য চলাকালীন নিজের এক বন্ধুকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প বলেন, “সে মূলত কিউবা নামের একটি জায়গা থেকে এসেছে, যেটি আমরা খুব দ্রুতই দখল করে নেব।” ইরান যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও যোগ করেন, “আগে একটা কাজ শেষ করি, আমি কাজ শেষ করতে পছন্দ করি। ইরান থেকে ফেরার পথেই আমরা এটা করব।” তিনি কৌতুক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন কিউবার উপকূলের কাছে গিয়ে দাঁড়ালেই তারা আত্মসমর্পণ করবে।
রসিকতা করলেও একই দিনে কিউবা সরকারের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন ট্রাম্প। সিএনএন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের এই মন্তব্য এবং নতুন নিষেধাজ্ঞা কিউবা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান সংকটের মধ্যেই কিউবা নিয়ে ট্রাম্পের এই অবস্থান তাঁর হার্ডলাইন পররাষ্ট্রনীতিরই প্রতিফলন।

আপনার মতামত লিখুন