যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে ১৪ দফার একটি নতুন শান্তি পরিকল্পনা দিয়েছে ইরান। দেশটির দাবি, তারা কেবল সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয় বরং চলমান সংকটের একটি স্থায়ী ও টেকসই সমাধান চায়।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ৯ দফার শান্তি প্রস্তাবের জবাবে তেহরান এই পাল্টা পরিকল্পনা জমা দিয়েছে। পাকিস্তান সরকারের মধ্যস্থতায় এই বিশেষ কূটনৈতিক প্রক্রিয়াটি বর্তমানে চলমান রয়েছে।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিভাবাদি তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের এক সম্মেলনে জানান, চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের স্থায়ী অবসানের লক্ষ্যে পাকিস্তানের কাছে এই পরিকল্পনা হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের যে তারা কূটনীতির পথে হাঁটবে নাকি সংঘাত বজায় রাখবে।
জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার জন্য দুই মাসের সময় চেয়ে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল, যা ইরান সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে যে, যাবতীয় সমস্যার সমাধান আগামী ৩০ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে।
ইরানের দেওয়া এই নতুন শান্তি পরিকল্পনায় বেশ কিছু কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ভবিষ্যতে কোনো সামরিক আগ্রাসন না চালানোর নিশ্চয়তা প্রদান এবং ইরানের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সব মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার করা।
শর্তগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে ইরানের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ ও সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে জব্দ করা সম্পদ ফেরত দেওয়া। একই সঙ্গে লেবাননসহ সব রণাঙ্গনে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর বিষয়টিও এই শান্তি প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে ১৪ দফার একটি নতুন শান্তি পরিকল্পনা দিয়েছে ইরান। দেশটির দাবি, তারা কেবল সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয় বরং চলমান সংকটের একটি স্থায়ী ও টেকসই সমাধান চায়।
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ৯ দফার শান্তি প্রস্তাবের জবাবে তেহরান এই পাল্টা পরিকল্পনা জমা দিয়েছে। পাকিস্তান সরকারের মধ্যস্থতায় এই বিশেষ কূটনৈতিক প্রক্রিয়াটি বর্তমানে চলমান রয়েছে।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিভাবাদি তেহরানে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের এক সম্মেলনে জানান, চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের স্থায়ী অবসানের লক্ষ্যে পাকিস্তানের কাছে এই পরিকল্পনা হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের যে তারা কূটনীতির পথে হাঁটবে নাকি সংঘাত বজায় রাখবে।
জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার জন্য দুই মাসের সময় চেয়ে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল, যা ইরান সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে যে, যাবতীয় সমস্যার সমাধান আগামী ৩০ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে।
ইরানের দেওয়া এই নতুন শান্তি পরিকল্পনায় বেশ কিছু কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ভবিষ্যতে কোনো সামরিক আগ্রাসন না চালানোর নিশ্চয়তা প্রদান এবং ইরানের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সব মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার করা।
শর্তগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে ইরানের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ ও সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে জব্দ করা সম্পদ ফেরত দেওয়া। একই সঙ্গে লেবাননসহ সব রণাঙ্গনে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর বিষয়টিও এই শান্তি প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন