যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর মাধ্যমে ইরানি জাহাজ জব্দ করাকে একটি ‘খুবই লাভজনক ব্যবসা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এই অবরোধের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিপুল পরিমাণ পণ্য ও তেল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হয়েছে। ফ্লোরিডায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, তারা পণ্য ও তেল জব্দের মাধ্যমে লাভবান হচ্ছেন এবং বিষয়টিকে রসিকতা করে জলদস্যুদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তুলনা করেন। তার মতে, ইরান দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রণালিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করায় পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে তিনি এই অবরোধ আরোপ করেছেন। ইরানের সঙ্গে চলমান পারমাণবিক আলোচনা নিয়ে ট্রাম্প সংশয় প্রকাশ করে বলেন, কোনো চুক্তি না করাই হয়তো ভালো হবে। তবে তিনি স্বীকার করেন যে, বর্তমানের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে না। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালালে তেহরান পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসন আন্তর্জাতিক জোট গঠনের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। উল্লেখ্য, গত ১৩ এপ্রিল থেকে এই জলপথে ইরানি নৌ চলাচল লক্ষ্য করে কঠোর নৌ অবরোধ কার্যকর করছে যুক্তরাষ্ট্র।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর মাধ্যমে ইরানি জাহাজ জব্দ করাকে একটি ‘খুবই লাভজনক ব্যবসা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, এই অবরোধের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিপুল পরিমাণ পণ্য ও তেল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হয়েছে। ফ্লোরিডায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, তারা পণ্য ও তেল জব্দের মাধ্যমে লাভবান হচ্ছেন এবং বিষয়টিকে রসিকতা করে জলদস্যুদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তুলনা করেন। তার মতে, ইরান দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রণালিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করায় পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে তিনি এই অবরোধ আরোপ করেছেন। ইরানের সঙ্গে চলমান পারমাণবিক আলোচনা নিয়ে ট্রাম্প সংশয় প্রকাশ করে বলেন, কোনো চুক্তি না করাই হয়তো ভালো হবে। তবে তিনি স্বীকার করেন যে, বর্তমানের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি দীর্ঘ সময় ধরে চলতে পারে না। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালালে তেহরান পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। বর্তমানে ট্রাম্প প্রশাসন আন্তর্জাতিক জোট গঠনের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে। উল্লেখ্য, গত ১৩ এপ্রিল থেকে এই জলপথে ইরানি নৌ চলাচল লক্ষ্য করে কঠোর নৌ অবরোধ কার্যকর করছে যুক্তরাষ্ট্র।

আপনার মতামত লিখুন