বাংলাদেশ ও ভারতের বিদ্যমান ইতিবাচক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে পারস্পরিক সম্মান, বোঝাপড়া ও আস্থার ভিত্তি শক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ান বঢ়ে। শনিবার বিকেলে রাজধানীর উত্তরার গ্যালারি কায়ায় শিল্পী রনজিৎ দাসের একক শিল্প প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন।
পাওয়ান বঢ়ে উল্লেখ করেন, সীমান্ত সহযোগিতা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সংযোগ বাড়াতে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগগুলো ইতোমধ্যে সুফল দিতে শুরু করেছে। নিয়মিত সংলাপ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই এই সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় পৌঁছানো সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি আরও বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানো গেলে এই বন্ধন আরও গভীর হবে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার জানান, এই অগ্রগতির ধারায় ভারত সবসময় পাশে থাকতে আগ্রহী। তার মতে, দুই দেশের যৌথ প্রচেষ্টা দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
ভারতের এই কূটনীতিক আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক শুধু ভৌগোলিক সীমারেখায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং ইতিহাস ও সংস্কৃতি এই বন্ধনকে ঋদ্ধ করেছে। এই ভিত্তিকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু এবং গ্যালারি কায়ার পরিচালক শিল্পী গৌতম চক্রবর্তীও উপস্থিত ছিলেন। ‘কাঠি ড্রয়িংস অ্যান্ড আদার্স’ শীর্ষক শিল্পী রনজিৎ দাসের এই একক প্রদর্শনীটি সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
বাংলাদেশ ও ভারতের বিদ্যমান ইতিবাচক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে পারস্পরিক সম্মান, বোঝাপড়া ও আস্থার ভিত্তি শক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার পাওয়ান বঢ়ে। শনিবার বিকেলে রাজধানীর উত্তরার গ্যালারি কায়ায় শিল্পী রনজিৎ দাসের একক শিল্প প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন।
পাওয়ান বঢ়ে উল্লেখ করেন, সীমান্ত সহযোগিতা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক সংযোগ বাড়াতে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগগুলো ইতোমধ্যে সুফল দিতে শুরু করেছে। নিয়মিত সংলাপ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই এই সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় পৌঁছানো সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি আরও বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানো গেলে এই বন্ধন আরও গভীর হবে। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার জানান, এই অগ্রগতির ধারায় ভারত সবসময় পাশে থাকতে আগ্রহী। তার মতে, দুই দেশের যৌথ প্রচেষ্টা দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
ভারতের এই কূটনীতিক আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক শুধু ভৌগোলিক সীমারেখায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং ইতিহাস ও সংস্কৃতি এই বন্ধনকে ঋদ্ধ করেছে। এই ভিত্তিকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি ও শিক্ষা খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
উক্ত অনুষ্ঠানে বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু এবং গ্যালারি কায়ার পরিচালক শিল্পী গৌতম চক্রবর্তীও উপস্থিত ছিলেন। ‘কাঠি ড্রয়িংস অ্যান্ড আদার্স’ শীর্ষক শিল্পী রনজিৎ দাসের এই একক প্রদর্শনীটি সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন