চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাঁশবাড়িয়া সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে মো. মেরাজ (২০) নামে এক পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় বাঁশবাড়িয়া ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় সমুদ্রের পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মেরাজ চট্টগ্রাম নগরীর পূর্ব মাদারবাড়ী এলাকার মোশাররফ আলীর ছেলে এবং এমইএস কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, বিকেলে মেরাজ তার বন্ধু সাব্বিরের সঙ্গে সমুদ্রে গোসল করতে নামেন। সাঁতার কাটার একপর্যায়ে হঠাৎ তীব্র স্রোতের টানে তারা দুজনই গভীর পানিতে তলিয়ে যান। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে পাড়ে নিয়ে আসলেও মেরাজকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাঁশবাড়িয়া সৈকতে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে সমুদ্র তীরে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তের কারণেই পর্যটকদের জন্য দুর্ঘটনার ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন যে, হাসপাতালে আনার আগেই মেরাজের মৃত্যু হয়েছিল।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাঁশবাড়িয়া সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে মো. মেরাজ (২০) নামে এক পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় বাঁশবাড়িয়া ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় সমুদ্রের পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মেরাজ চট্টগ্রাম নগরীর পূর্ব মাদারবাড়ী এলাকার মোশাররফ আলীর ছেলে এবং এমইএস কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, বিকেলে মেরাজ তার বন্ধু সাব্বিরের সঙ্গে সমুদ্রে গোসল করতে নামেন। সাঁতার কাটার একপর্যায়ে হঠাৎ তীব্র স্রোতের টানে তারা দুজনই গভীর পানিতে তলিয়ে যান। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে পাড়ে নিয়ে আসলেও মেরাজকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বাঁশবাড়িয়া সৈকতে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে সমুদ্র তীরে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তের কারণেই পর্যটকদের জন্য দুর্ঘটনার ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন যে, হাসপাতালে আনার আগেই মেরাজের মৃত্যু হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন