যশোরের শার্শায় ১০ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সম্রাট হোসেন (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার গ্রেফতারকৃত আসামিকে যশোর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে শার্শা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
গ্রেফতারকৃত সম্রাট হোসেন শার্শা উপজেলার শালকোনা গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় শালকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত বুধবার বিকেলে শিশুটি বাড়ির পাশের ব্রিজের কাছে কাশফুল তুলতে গিয়েছিল। এ সময় অভিযুক্ত সম্রাট হোসেন বাইসাইকেলে করে সেখানে পৌঁছে শিশুটিকে প্রলোভন দেখিয়ে পার্শ্ববর্তী পাটখেতের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। শিশুটির চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সম্রাট ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন জানান, এই ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করতে সক্ষম হয় এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এলাকাটিতে এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও বিচার দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
যশোরের শার্শায় ১০ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে সম্রাট হোসেন (৩০) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার গ্রেফতারকৃত আসামিকে যশোর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে শার্শা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
গ্রেফতারকৃত সম্রাট হোসেন শার্শা উপজেলার শালকোনা গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে। ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় শালকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত বুধবার বিকেলে শিশুটি বাড়ির পাশের ব্রিজের কাছে কাশফুল তুলতে গিয়েছিল। এ সময় অভিযুক্ত সম্রাট হোসেন বাইসাইকেলে করে সেখানে পৌঁছে শিশুটিকে প্রলোভন দেখিয়ে পার্শ্ববর্তী পাটখেতের ভেতরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। শিশুটির চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সম্রাট ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন জানান, এই ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করতে সক্ষম হয় এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এলাকাটিতে এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও বিচার দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আপনার মতামত লিখুন