২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ঢাকার মোহাম্মদপুরে এক ছাত্রদল কর্মী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা ‘হত্যাচেষ্টা’ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ। তবে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় ১২৭ জনকে এই মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই ফেরদৌস জামান গত ২০ এপ্রিল আদালতে এই অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে উল্লেখ করা হয়, অব্যাহতি পাওয়া ১২৭ জন ঘটনার সময় ওই এলাকায় উপস্থিত ছিলেন না। অভিযোগপত্রভুক্ত উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান এবং সাবেক কাউন্সিলর আসিফ আহম্মেদ ও তারেকুজ্জামান রাজীব।
মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের ময়ূর ভিলা এলাকায় আন্দোলন চলাকালে বেলা পৌনে ৩টার দিকে বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিপেটা ও গুলিবর্ষণ করা হয়। সেখানে শেখ মোহাম্মদ আশিক নামে এক ছাত্রদল কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন। হামলাকারীরা তাকে ‘মৃত ভেবে’ রাস্তায় ফেলে যায়। পরবর্তীতে এই ঘটনায় ২৮ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করেন আশিক।
তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন, শীর্ষ নেতাদের ষড়যন্ত্র ও পূর্ব নির্দেশনা মোতাবেক অন্য আসামিরা ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে সহিংসভাবে থামানোর লক্ষ্যে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল। সেদিন আন্দোলনে অংশ নেওয়া এবং পুলিশের গুলিতে আহত হওয়া ছাত্রদল নেতা জুয়েল হাসান রাজ এই মামলায় সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সেদিন পুলিশ আন্দোলন দমাতে ব্যাপক গুলিবর্ষণ করেছিল এবং তিনিসহ আরও অনেকেই সেখানে গুরুতর আহত হয়েছিলেন। এই মামলার মাধ্যমে তিনি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ঢাকার মোহাম্মদপুরে এক ছাত্রদল কর্মী গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা ‘হত্যাচেষ্টা’ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে পুলিশ। তবে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় ১২৭ জনকে এই মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই ফেরদৌস জামান গত ২০ এপ্রিল আদালতে এই অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে উল্লেখ করা হয়, অব্যাহতি পাওয়া ১২৭ জন ঘটনার সময় ওই এলাকায় উপস্থিত ছিলেন না। অভিযোগপত্রভুক্ত উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খান এবং সাবেক কাউন্সিলর আসিফ আহম্মেদ ও তারেকুজ্জামান রাজীব।
মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ডের ময়ূর ভিলা এলাকায় আন্দোলন চলাকালে বেলা পৌনে ৩টার দিকে বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিপেটা ও গুলিবর্ষণ করা হয়। সেখানে শেখ মোহাম্মদ আশিক নামে এক ছাত্রদল কর্মী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন। হামলাকারীরা তাকে ‘মৃত ভেবে’ রাস্তায় ফেলে যায়। পরবর্তীতে এই ঘটনায় ২৮ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করেন আশিক।
তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন, শীর্ষ নেতাদের ষড়যন্ত্র ও পূর্ব নির্দেশনা মোতাবেক অন্য আসামিরা ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে সহিংসভাবে থামানোর লক্ষ্যে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিল। সেদিন আন্দোলনে অংশ নেওয়া এবং পুলিশের গুলিতে আহত হওয়া ছাত্রদল নেতা জুয়েল হাসান রাজ এই মামলায় সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, সেদিন পুলিশ আন্দোলন দমাতে ব্যাপক গুলিবর্ষণ করেছিল এবং তিনিসহ আরও অনেকেই সেখানে গুরুতর আহত হয়েছিলেন। এই মামলার মাধ্যমে তিনি দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন