স্বাস্থ্যকর মনে করে অনেকেই দিনের শুরুতে এক গ্লাস তাজা ফলের রস পান করতে পছন্দ করেন। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে যে, কেবল ডায়াবেটিস রোগীদেরই নয়, বরং সুস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও ফলের রস রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফলের রসে থাকা ফ্রুক্টোজ এবং গ্লুকোজ দ্রুত রক্তে শোষিত হয়, যা শর্করার আকস্মিক বৃদ্ধি বা 'স্পাইক' ঘটায়।
ফল থেকে রস তৈরি করার সময় এর অধিকাংশ আঁশ বা ফাইবার বাদ পড়ে যায়। এই ফাইবার সাধারণত রক্তে শর্করার শোষণ প্রক্রিয়াকে ধীর রাখে। ফলে ফাইবারহীন রস সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যদিও সুস্থ মানুষের শরীরে ইনসুলিন এই মাত্রাকে স্বাভাবিক করে তোলে, তবে নিয়মিত ও অতিরিক্ত পরিমাণে রস পান করা দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত চিনিযুক্ত পানীয় এবং ফলের রস পানের ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
প্যাকেটজাত ফলের রসের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এসব রসে অতিরিক্ত চিনি ও প্রিজারভেটিভ থাকে, যা ক্যালোরি বাড়িয়ে ওজন বৃদ্ধির কারণ হয়। তাই ফলের রসের চেয়ে সরাসরি আস্ত ফল খাওয়া অনেক বেশি উপকারী। ফলে বিদ্যমান ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান শরীরে চিনির শোষণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
ডায়াবেটিস নেই এমন ব্যক্তিদের জন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো—অল্প পরিমাণে ফলের রস উপভোগ করা যেতে পারে, তবে তা খালি পেটে না খাওয়াই ভালো। এছাড়া অতিরিক্ত চিনি ছাড়া ঘরে তৈরি তাজা রস বেছে নেওয়া এবং পরিমিত পরিমাণে পান করার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
স্বাস্থ্যকর মনে করে অনেকেই দিনের শুরুতে এক গ্লাস তাজা ফলের রস পান করতে পছন্দ করেন। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে যে, কেবল ডায়াবেটিস রোগীদেরই নয়, বরং সুস্থ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও ফলের রস রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফলের রসে থাকা ফ্রুক্টোজ এবং গ্লুকোজ দ্রুত রক্তে শোষিত হয়, যা শর্করার আকস্মিক বৃদ্ধি বা 'স্পাইক' ঘটায়।
ফল থেকে রস তৈরি করার সময় এর অধিকাংশ আঁশ বা ফাইবার বাদ পড়ে যায়। এই ফাইবার সাধারণত রক্তে শর্করার শোষণ প্রক্রিয়াকে ধীর রাখে। ফলে ফাইবারহীন রস সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। যদিও সুস্থ মানুষের শরীরে ইনসুলিন এই মাত্রাকে স্বাভাবিক করে তোলে, তবে নিয়মিত ও অতিরিক্ত পরিমাণে রস পান করা দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত চিনিযুক্ত পানীয় এবং ফলের রস পানের ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
প্যাকেটজাত ফলের রসের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এসব রসে অতিরিক্ত চিনি ও প্রিজারভেটিভ থাকে, যা ক্যালোরি বাড়িয়ে ওজন বৃদ্ধির কারণ হয়। তাই ফলের রসের চেয়ে সরাসরি আস্ত ফল খাওয়া অনেক বেশি উপকারী। ফলে বিদ্যমান ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান শরীরে চিনির শোষণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
ডায়াবেটিস নেই এমন ব্যক্তিদের জন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো—অল্প পরিমাণে ফলের রস উপভোগ করা যেতে পারে, তবে তা খালি পেটে না খাওয়াই ভালো। এছাড়া অতিরিক্ত চিনি ছাড়া ঘরে তৈরি তাজা রস বেছে নেওয়া এবং পরিমিত পরিমাণে পান করার প্রতি গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন