আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া ফিফা বিশ্বকাপের সম্প্রচার নিয়ে ভারত ও চীনে গভীর অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ফুটবলপ্রেমীদের সংখ্যা বিশাল হওয়া সত্ত্বেও এই দুই জনবহুল দেশে এখন পর্যন্ত সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি বা সিদ্ধান্ত হয়নি। বিশ্বকাপের বাকি আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ, অথচ এমন অচলাবস্থা ফুটবল বিশ্বে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
চীনে গত ২০২২ বিশ্বকাপের সময় ডিজিটাল ও সামাজিক মাধ্যমে খেলা দেখার মোট সময়ের প্রায় ৪৯.৮ শতাংশ দখল করেছিল দর্শকরা। তা সত্ত্বেও দেশটিতে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়নি। ফিফা জানিয়েছে, বিশ্বের প্রায় ১৭৫টি অঞ্চলের সঙ্গে ইতিমধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হলেও চীন ও ভারতের ক্ষেত্রে আলোচনা এখনও অব্যাহত রয়েছে। তবে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বর্তমানে গোপন রাখা হয়েছে।
সাধারণত বিশ্বকাপের আগের আসরগুলোতে, যেমন ২০১৮ ও ২০২২ সালে, চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমগুলো অনেক আগেই স্বত্ব নিশ্চিত করে প্রচারণা শুরু করেছিল। এবারের বিলম্বকে বেশ অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ভারতের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে, যেখানে সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে এখনও কোনো পক্ষ নিশ্চিত কোনো ঘোষণা দেয়নি।
১১ জুন কিক-অফ হওয়ার আগে চুক্তি চূড়ান্ত করা, কারিগরি প্রস্তুতি নেওয়া এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের সঙ্গে বাণিজ্যিক আলোচনা সম্পন্ন করার জন্য হাতে সময় খুব কম। এই সংকীর্ণ সময়ের মধ্যে বড় কোনো ঘোষণা না আসায় ফুটবলপ্রেমী দেশ দুটিতে আসন্ন বিশ্বকাপের আমেজ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া ফিফা বিশ্বকাপের সম্প্রচার নিয়ে ভারত ও চীনে গভীর অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ফুটবলপ্রেমীদের সংখ্যা বিশাল হওয়া সত্ত্বেও এই দুই জনবহুল দেশে এখন পর্যন্ত সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি বা সিদ্ধান্ত হয়নি। বিশ্বকাপের বাকি আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ, অথচ এমন অচলাবস্থা ফুটবল বিশ্বে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
চীনে গত ২০২২ বিশ্বকাপের সময় ডিজিটাল ও সামাজিক মাধ্যমে খেলা দেখার মোট সময়ের প্রায় ৪৯.৮ শতাংশ দখল করেছিল দর্শকরা। তা সত্ত্বেও দেশটিতে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়নি। ফিফা জানিয়েছে, বিশ্বের প্রায় ১৭৫টি অঞ্চলের সঙ্গে ইতিমধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হলেও চীন ও ভারতের ক্ষেত্রে আলোচনা এখনও অব্যাহত রয়েছে। তবে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য বর্তমানে গোপন রাখা হয়েছে।
সাধারণত বিশ্বকাপের আগের আসরগুলোতে, যেমন ২০১৮ ও ২০২২ সালে, চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমগুলো অনেক আগেই স্বত্ব নিশ্চিত করে প্রচারণা শুরু করেছিল। এবারের বিলম্বকে বেশ অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ভারতের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে, যেখানে সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে এখনও কোনো পক্ষ নিশ্চিত কোনো ঘোষণা দেয়নি।
১১ জুন কিক-অফ হওয়ার আগে চুক্তি চূড়ান্ত করা, কারিগরি প্রস্তুতি নেওয়া এবং বিজ্ঞাপনদাতাদের সঙ্গে বাণিজ্যিক আলোচনা সম্পন্ন করার জন্য হাতে সময় খুব কম। এই সংকীর্ণ সময়ের মধ্যে বড় কোনো ঘোষণা না আসায় ফুটবলপ্রেমী দেশ দুটিতে আসন্ন বিশ্বকাপের আমেজ নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন