চীনের হুনান প্রদেশের লিউইয়াং শহরে একটি আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ২৬ জন নিহত এবং ৬১ জন আহত হয়েছেন। সোমবার বিকেলে হুয়াশেং ফায়ারওয়ার্কস কারখানায় এই দুর্ঘটনা ঘটে, যার পর ওই এলাকার তিন কিলোমিটার পর্যন্ত বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছেন দেড় হাজারের বেশি জরুরি সেবাকর্মী, যারা ড্রোন ও রোবট ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ থেকে সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হন। কারখানার ভেতরে থাকা গানপাউডার গুদাম থেকে দ্বিতীয় দফা বিস্ফোরণ ঠেকাতে উদ্ধারকারীরা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছেন।
বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আশপাশের আবাসিক ভবনের জানালার কাচ ভেঙে গেছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আহতদের বয়স ২০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এবং তাদের অধিকাংশই উড়ন্ত ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন বলে জানা গেছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই ঘটনায় নিখোঁজদের উদ্ধারে সর্বাত্মক চেষ্টা এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং কারখানার দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিস্ফোরণ পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পানি ও বাতাসের মান পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত পরিবেশগত সূচক স্বাভাবিক রয়েছে। উল্লেখ্য, লিউইয়াং শহর আতশবাজি উৎপাদনের জন্য বিশ্ববিখ্যাত হলেও চীনে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
চীনের হুনান প্রদেশের লিউইয়াং শহরে একটি আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ২৬ জন নিহত এবং ৬১ জন আহত হয়েছেন। সোমবার বিকেলে হুয়াশেং ফায়ারওয়ার্কস কারখানায় এই দুর্ঘটনা ঘটে, যার পর ওই এলাকার তিন কিলোমিটার পর্যন্ত বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছেন দেড় হাজারের বেশি জরুরি সেবাকর্মী, যারা ড্রোন ও রোবট ব্যবহার করে ধ্বংসস্তূপ থেকে সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হন। কারখানার ভেতরে থাকা গানপাউডার গুদাম থেকে দ্বিতীয় দফা বিস্ফোরণ ঠেকাতে উদ্ধারকারীরা সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছেন।
বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আশপাশের আবাসিক ভবনের জানালার কাচ ভেঙে গেছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আহতদের বয়স ২০ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এবং তাদের অধিকাংশই উড়ন্ত ধ্বংসাবশেষের আঘাতে জখম হয়েছেন বলে জানা গেছে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই ঘটনায় নিখোঁজদের উদ্ধারে সর্বাত্মক চেষ্টা এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং কারখানার দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিস্ফোরণ পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পানি ও বাতাসের মান পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এখন পর্যন্ত পরিবেশগত সূচক স্বাভাবিক রয়েছে। উল্লেখ্য, লিউইয়াং শহর আতশবাজি উৎপাদনের জন্য বিশ্ববিখ্যাত হলেও চীনে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে থাকে।

আপনার মতামত লিখুন