ভারতের কেরালার রাজনীতিতে ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল)-এর নেত্রী ফাতেমা তাহলিয়া এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। সোমবার ঘোষিত নির্বাচনী ফলাফলে তিনি কোঝিকোড় জেলার পেরামব্রা আসনে বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের (এলডিএফ) কনভেনার টি পি রামকৃষ্ণানকে পরাজিত করেছেন। এই জয়ের মাধ্যমে তাহলিয়া আইইউএমএল-এর ইতিহাসে প্রথম নারী বিধায়ক হওয়ার গৌরব অর্জন করলেন।
পেশায় আইনজীবী ফাতেমা তাহলিয়ার এই বিজয়কে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা 'জায়ান্ট কিলিং' হিসেবে অভিহিত করছেন। কারণ পেরামব্রা আসনটি ১৯৮০ সাল থেকে টানা চার দশক ধরে সিপিআই(এম)-এর দখলে ছিল। দীর্ঘ ৪৬ বছরের সেই বাম আধিপত্য ভেঙে দিয়ে তিনি ইউডিএফ শিবিরে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছেন।
তাহলিয়া কেবল বিরোধী পক্ষের সঙ্গেই লড়াই করেননি, বরং নিজের দলের ভেতরেও নারী অধিকার ও লিঙ্গ সমতার পক্ষে এক সংস্কারবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত। তিনি মুসলিম স্টুডেন্টস ফেডারেশনের নারী শাখা 'হারিতা'-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নারীদের মর্যাদা নিশ্চিত করার দাবিতে সোচ্চার হওয়ায় একসময় তাকে পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তবুও তিনি দমে যাননি।
বর্তমানে মুসলিম ইয়ুথ লিগের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নির্ভীক নেত্রীর উত্থান কেরালার রাজনীতিতে নতুন ধারার সূচনা করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, তার এই বিজয় আইইউএমএল-এর ভেতরে নারী প্রতিনিধিত্ব এবং অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের প্রশ্নে বড় ধরনের পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে। একাধারে তরুণ, সুবক্তা এবং লড়াকু নেত্রী হিসেবে তিনি এখন কেরালার রাজনীতির অন্যতম আলোচিত মুখ।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ভারতের কেরালার রাজনীতিতে ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ (আইইউএমএল)-এর নেত্রী ফাতেমা তাহলিয়া এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। সোমবার ঘোষিত নির্বাচনী ফলাফলে তিনি কোঝিকোড় জেলার পেরামব্রা আসনে বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের (এলডিএফ) কনভেনার টি পি রামকৃষ্ণানকে পরাজিত করেছেন। এই জয়ের মাধ্যমে তাহলিয়া আইইউএমএল-এর ইতিহাসে প্রথম নারী বিধায়ক হওয়ার গৌরব অর্জন করলেন।
পেশায় আইনজীবী ফাতেমা তাহলিয়ার এই বিজয়কে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা 'জায়ান্ট কিলিং' হিসেবে অভিহিত করছেন। কারণ পেরামব্রা আসনটি ১৯৮০ সাল থেকে টানা চার দশক ধরে সিপিআই(এম)-এর দখলে ছিল। দীর্ঘ ৪৬ বছরের সেই বাম আধিপত্য ভেঙে দিয়ে তিনি ইউডিএফ শিবিরে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছেন।
তাহলিয়া কেবল বিরোধী পক্ষের সঙ্গেই লড়াই করেননি, বরং নিজের দলের ভেতরেও নারী অধিকার ও লিঙ্গ সমতার পক্ষে এক সংস্কারবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত। তিনি মুসলিম স্টুডেন্টস ফেডারেশনের নারী শাখা 'হারিতা'-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। দলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নারীদের মর্যাদা নিশ্চিত করার দাবিতে সোচ্চার হওয়ায় একসময় তাকে পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তবুও তিনি দমে যাননি।
বর্তমানে মুসলিম ইয়ুথ লিগের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এই নির্ভীক নেত্রীর উত্থান কেরালার রাজনীতিতে নতুন ধারার সূচনা করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, তার এই বিজয় আইইউএমএল-এর ভেতরে নারী প্রতিনিধিত্ব এবং অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের প্রশ্নে বড় ধরনের পরিবর্তনের সংকেত দিচ্ছে। একাধারে তরুণ, সুবক্তা এবং লড়াকু নেত্রী হিসেবে তিনি এখন কেরালার রাজনীতির অন্যতম আলোচিত মুখ।

আপনার মতামত লিখুন