পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজিত হওয়ার পরও পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরদিন মঙ্গলবার কালীঘাটের বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, তার দল হারেনি বরং কমিশন ও বিজেপির যোগসাজশে একশোর বেশি আসন লুট করা হয়েছে। হারের জন্য নির্বাচন কমিশনকে ‘ভিলেন’ আখ্যা দিয়ে তিনি একে একটি কালো ইতিহাস হিসেবে বর্ণনা করেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি লোকভবনে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন না। তার মতে, যেখানে জোর করে ভোট লুট করা হয়েছে, সেখানে ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এই পরিস্থিতিতে তিনি রাজপথে নেমে লড়াই করার এবং পুনরায় ঘুরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। হারলেও দলের নির্বাচিত নেতারা তার পাশেই আছেন বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে জানান।
নির্বাচনের পর তৃণমূলের নারী কর্মীদের বিজেপি ধর্ষণের হুমকি দিচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন মমতা। তিনি জানান, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং অখিলেশ যাদবসহ ‘ইন্ডিয়া’ জোটের শীর্ষ নেতারা তাকে ফোন করে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। ভবিষ্যতে এই জোটকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি নিজেকে এখন ‘মুক্ত বিহঙ্গ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
মমতা পদত্যাগ না করলে পশ্চিমবঙ্গের সাংবিধানিক সংকট নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও সংবিধানে এ বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা নেই, তবে আগামী ৭ মে বিধানসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিবেচিত হবেন। সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, পদত্যাগ করা একটি রাজনৈতিক শিষ্টাচার, যা অতীতে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যসহ অন্য মুখ্যমন্ত্রীরা পালন করেছেন।
এদিকে নির্বাচনে হেরেও পদত্যাগ না করায় মমতাকে বরখাস্ত করতে রাজ্যপালের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপি আগামী ৯ মে রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন নতুন সরকার গঠনের শপথ নিতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ইস্তফা না দিলেও বিজয়ী দল সরকার গঠনের দাবি জানালে রাজ্যপাল তাদের আমন্ত্রণ জানানোর মাধ্যমে এই অচলাবস্থা নিরসন হতে পারে।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজিত হওয়ার পরও পদত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরদিন মঙ্গলবার কালীঘাটের বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, তার দল হারেনি বরং কমিশন ও বিজেপির যোগসাজশে একশোর বেশি আসন লুট করা হয়েছে। হারের জন্য নির্বাচন কমিশনকে ‘ভিলেন’ আখ্যা দিয়ে তিনি একে একটি কালো ইতিহাস হিসেবে বর্ণনা করেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি লোকভবনে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেবেন না। তার মতে, যেখানে জোর করে ভোট লুট করা হয়েছে, সেখানে ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এই পরিস্থিতিতে তিনি রাজপথে নেমে লড়াই করার এবং পুনরায় ঘুরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। হারলেও দলের নির্বাচিত নেতারা তার পাশেই আছেন বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে জানান।
নির্বাচনের পর তৃণমূলের নারী কর্মীদের বিজেপি ধর্ষণের হুমকি দিচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন মমতা। তিনি জানান, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং অখিলেশ যাদবসহ ‘ইন্ডিয়া’ জোটের শীর্ষ নেতারা তাকে ফোন করে পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। ভবিষ্যতে এই জোটকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি নিজেকে এখন ‘মুক্ত বিহঙ্গ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
মমতা পদত্যাগ না করলে পশ্চিমবঙ্গের সাংবিধানিক সংকট নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও সংবিধানে এ বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলা নেই, তবে আগামী ৭ মে বিধানসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিবেচিত হবেন। সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, পদত্যাগ করা একটি রাজনৈতিক শিষ্টাচার, যা অতীতে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যসহ অন্য মুখ্যমন্ত্রীরা পালন করেছেন।
এদিকে নির্বাচনে হেরেও পদত্যাগ না করায় মমতাকে বরখাস্ত করতে রাজ্যপালের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপি আগামী ৯ মে রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন নতুন সরকার গঠনের শপথ নিতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ইস্তফা না দিলেও বিজয়ী দল সরকার গঠনের দাবি জানালে রাজ্যপাল তাদের আমন্ত্রণ জানানোর মাধ্যমে এই অচলাবস্থা নিরসন হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন